Somoy TV
ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতে তেহরানের কঠোর ‘নিশানা’ হয়ে উঠেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে। যেগুলো থেকে ধারণা করা যায়, ইসরাইলের সঙ্গে আমিরাতের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ও ইরান যুদ্ধে আক্রমণাত্মক অবস্থান অবলম্বনের কারণেই তিক্ততা দেখা যাচ্ছে দুই দেশের সম্পর্কে।ইরান সৌদি আরব ও ওমানকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আগ্রাসনের জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে লক্ষ্য করে কঠোর হামলা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, আমিরাতকে টার্গেট করে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে দূরত্ব বাড়ানোই পেজেশকিয়ান প্রশাসনের কৌশল। বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন ছড়াচ্ছে, আবুধাবির ওপরই তেহরানের ক্ষোভ সবচেয়ে বেশি। যুদ্ধের ময়দানেও সেই প্রতিফলন স্পষ্ট। ইরানের পাল্টা হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমিরাত। শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দেশটির জ্বালানি স্থাপনা, অবকাঠামো ও অর্থনীতি চাপে পড়েছে। ফুজাইরার পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় সাম্প্রতিক হামলা সেই ধারাবাহিকতারই অংশ, যা ইঙ্গিত দেয় আমিরাতই এখন তেহরানের প্রধান টার্গেট। যদিও এ হামলার দায় স্বীকার করেনি ইরান। আরও পড়ুন: আমিরাতে পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ড্রোন হামলা, তিন ভারতীয় আহত সৌদি আরব একদিকে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা দিচ্ছে অন্যদিকে মধ্যস্থতার পথ খোলা রেখেছে, সেখানে আমিরাতকে দেখা যাচ্ছে আক্রমণাত্মক ভূমিকায়। তেহরান মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনে আবুধাবি শুধু নীরব সমর্থক নয়, বরং সক্রিয় অংশীদার। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিরাত প্রকাশ্যে ও গোপনে ওয়াশিংটনকে ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিয়েছে। এমনকি আলোচনার উদ্যোগ ঠেকানোর চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। আরেকটি বড় কারণ, ইসরাইলের সঙ্গে আমিরাতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। যুদ্ধের সময় উন্নত অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সহায়তা পেয়েছে আবুধাবি। এমনকি ইরানের অভ্যন্তরে হামলায় আমিরাতের সম্পৃক্ততা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ফলে তেহরানের দৃষ্টিতে, আমিরাত এখন শুধু প্রতিবেশী নয়, বরং সরাসরি প্রতিপক্ষের অংশ।
Go to News Site