Jagonews24
বাংলা সংগীতাঙ্গনের কিংবদন্তিতুল্য শিল্পী সুবীর নন্দী আজও বেঁচে আছেন তার অসংখ্য কালজয়ী গানের মাধ্যমে। আজ (৭ মে) এই খ্যাতিমান শিল্পীর জন্মদিন। চার দশকেরও বেশি সময়ের সংগীতজীবনে উপহার দিয়েছেন অগণিত জনপ্রিয় গান। এর মধ্যে অন্যতম ‘কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো’। তবে শ্রোতাপ্রিয় এই গানটির পেছনে লুকিয়ে আছে এক অবিশ্বাস্য সংগ্রামের গল্প। মৃত্যুর আগে এক সাক্ষাৎকারে গানটির রেকর্ডিং নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছিলেন সুবীর নন্দী। তিনি জানিয়েছিলেন, ‘উসিলা’ সিনেমার এই জনপ্রিয় গানটি রেকর্ড করতে তাকে টানা ৩৯ বার চেষ্টা করতে হয়েছিল। শিল্পীর ভাষ্য অনুযায়ী, রেকর্ডিংয়ের কাজ শুরু হয়েছিল সকাল ১০টায়। সে সময়ের রেকর্ডিং প্রযুক্তি এখনকার মতো উন্নত ছিল না। ফলে পুরো গান এক টেকেই নিখুঁতভাবে শেষ করতে হতো। মাঝপথে সামান্য শব্দ, শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা, উচ্চারণের ত্রুটি কিংবা আবেগে ঘাটতি থাকলেও পুরো টেক বাতিল করে আবার শুরু করতে হতো শুরু থেকে। একাধিকবার চেষ্টা করেও গানটি ঠিকভাবে শেষ করতে পারছিলেন না সুবীর নন্দী। একপর্যায়ে ৩৮ বার টেক দেওয়ার পর রেকর্ডিংয়ের দায়িত্বে থাকা মনির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ছেলেটা তো মারা যাবে।” এরপর তিনি জানিয়ে দেন, আর একবারই চেষ্টা করা হবে, না হলে রেকর্ডিং হবে পরদিন। সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে সুবীর নন্দী বলেছিলেন, “তিনি এসে আমাকে বললেন, ‘সুবীর, তোমার মতো করে গাও।’ এরপর সাহস নিয়ে আবার মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়াই। অবশেষে ৩৯তম টেকেই গানটি ঠিকভাবে রেকর্ড হয়।” আরও পড়ুন:বিয়ে প্রসঙ্গে খোলামেলা প্রভা, দিলেন স্পষ্ট বার্তা শাকিবের ‘প্রিন্স’ সিনেমা প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা, সনদ স্থগিত করল বোর্ড পরে ‘কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো’ বাংলা গানের ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যায়। আজও গানটি সমান আবেগ নিয়ে গেয়ে চলেছেন সংগীতপ্রেমীরা। উল্লেখ্য, গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু এবং সুরকার আলী হোসেন। এমএমএফ
Go to News Site