Collector
মালয়েশিয়ায় গুঁড়িয়ে দেয়া হলো মানবপাচারকারী ‘শফিক গ্যাং’-এর আস্তানা | Collector
মালয়েশিয়ায় গুঁড়িয়ে দেয়া হলো মানবপাচারকারী ‘শফিক গ্যাং’-এর আস্তানা
Somoy TV

মালয়েশিয়ায় গুঁড়িয়ে দেয়া হলো মানবপাচারকারী ‘শফিক গ্যাং’-এর আস্তানা

মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট ডিভিশন এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিদের সমন্বয়ে গঠিত কুখ্যাত মানবপাচারকারী চক্র ‘শফিক গ্যাং’-কে সফলভাবে নির্মূল করেছে। পাচার করা অভিবাসীদের ট্রানজিট পয়েন্ট এবং গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত একটি বাড়িতে অতর্কিত অভিযান চালিয়ে এই চক্রের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়।বুধবার (৬ মে) ইমিগ্রেশন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বুধবার দুপুর ২টার দিকে সেলাঙ্গরের পেতালিং জয়া এলাকার একটি দোকানঘরের বাসায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মোট ৯ জন বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়, যাদের অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই অভিবাসীরা প্রায় দুই দিন আগে পার্শ্ববর্তী একটি দেশে পৌঁছান এবং সেখান থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেন। অভিযানে এই সিন্ডিকেটের সমন্বয়কারী এবং ট্রানজিট হাউসের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কর্মরত আরও দুই বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সক্রিয় এই সিন্ডিকেটটি তৃতীয় কোনো দেশের রুট ব্যবহার করে অবৈধভাবে কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অভিবাসীদের মালয়েশিয়ায় নিয়ে আসত। এরপর তাদের সরাসরি ক্লাং ভ্যালিতে নিয়ে আসা হতো এবং নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠানো হতো।  আরও পড়ুন: অন্যের পরিচয়পত্রে ভর্তুকিযুক্ত পেট্রোল ক্রয়, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীর বড় জরিমানা সিন্ডিকেটটি জনপ্রতি ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত আদায় করত এবং কার্যক্রম শুরুর পর থেকে তারা আনুমানিক ১ দশমিক ৬ মিলিয়ন রিঙ্গিত অবৈধ মুনাফা অর্জন করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটক অভিবাসীদের বয়স ২০ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে এবং বর্তমানে তাদের পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ‘অ্যান্টি-ট্রাফিকিং ইন পারসনস এবং অ্যান্টি-স্মাগলিং অফ মাইগ্রেন্টস অ্যাক্ট ২০০৭’-এর অধীনে তদন্ত শুরু হয়েছে। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, দেশের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ সহ সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

Go to News Site