Collector
যেসব ধারা ও অভিযোগে নিষিদ্ধ হলেন ৫ ক্রিকেটার-কর্মকর্তা | Collector
যেসব ধারা ও অভিযোগে নিষিদ্ধ হলেন ৫ ক্রিকেটার-কর্মকর্তা
Somoy TV

যেসব ধারা ও অভিযোগে নিষিদ্ধ হলেন ৫ ক্রিকেটার-কর্মকর্তা

বিপিএলে ফিক্সিংয়ের দায়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে সব ধরনের কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ হলেন ৪ কর্মকর্তা ও ক্রিকেটার। তারা হলেন- চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ-মালিক তৌহিদুল হক তৌহিদ, রংপুর রাইডার্সের সাবেক ক্রিকেটার এবং চলমান ডিপিএলে রূপগঞ্জ টাইগার্সের হয়ে খেলা অমিত মজুমদার, সিলেট ফ্র‍্যাঞ্চাইজির ম্যানেজার রেজওয়ান কবির ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম ম্যানেজার সামিনুর রহমান।যেসব ধারা ও অভিযোগে নিষিদ্ধ হলেন তারা-মো. লাবলুর রহমান: ধারা ২.৪.৬ অনুযায়ী, কোনো জোরালো কারণ ছাড়াই ডিএসিও-এর তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার বা ব্যর্থ হয়েছেন। ধারা ২.৪.৭ অনুযায়ী, তদন্তে বাধা প্রদান বা বিলম্বিত করা, যার মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় তথ্য বা যোগাযোগ গোপন করা, মুছে ফেলা বা ধ্বংস করার প্রমাণও পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে।মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ: ধারা ২.৪.৬ অনুযায়ী, কোনো জোরালো কারণ ছাড়াই ডিএসিওর তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার বা ব্যর্থ হয়েছেন। ধারা ২.৪.৭ অনুযায়ী, তদন্তে বাধা প্রদান বা বিলম্বিত করা, যার মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় তথ্য বা যোগাযোগ গোপন করা, মুছে ফেলা বা ধ্বংস করার প্রমাণও পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে।অমিত মজুমদার: ধারা ২.২.১ অনুযায়ী, ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি বা অন্য যেকোনো বিষয়ের ওপর বাজি ধরেছেন তিনি।আরও পড়ুন: জোড়াতালি দিয়ে নয়, পরিকল্পিত বিপিএল চান তামিমরেজওয়ান কবির সিদ্দিকী: ধারা ২.২.১ অনুযায়ী, ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি বা অন্য যেকোনো বিষয়ের ওপর বাজি ধরেছেন তিনি।অভিযুক্তরা সবাই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড- যেমন বেটিং (জুয়া), তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্তে বাধা প্রদানের মতো কাজের সঙ্গে যুক্ত। আনীত অভিযোগের ভিত্তিতে বিসিবি ইনটেগ্রিটি ইউনিট তদন্ত করেছে। সেই ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই তদন্তের মূল বিষয়গুলো ছিল বেটিং সংক্রান্ত কার্যক্রম, দুর্নীতির প্রস্তাব, কোডের ধারা ৪.৩-এর অধীনে ইস্যু করা ডিমান্ড নোটিশ পালনে ব্যর্থতা, সংশ্লিষ্ট তথ্য ও যোগাযোগ গোপন বা মুছে ফেলা এবং নির্ধারিত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তার (ডিএসিও) সাথে তদন্তে সহযোগিতা না করা।

Go to News Site