Collector
ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হবে ইসরাইল-লেবানন শান্তি আলোচনা! | Collector
ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হবে ইসরাইল-লেবানন শান্তি আলোচনা!
Somoy TV

ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হবে ইসরাইল-লেবানন শান্তি আলোচনা!

ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফার শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে। আগামী সপ্তাহে নির্ধারিত এ বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে একাধিক কূটনৈতিক সূত্র। আলোচনার মূল বিষয় থাকবে সীমান্ত নিরাপত্তা, বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রত্যাবর্তন এবং পুনর্গঠন ইস্যু।মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ফের তীব্র হয়েছে ইসরাইলি হামলা। বৃহস্পতিবারও (৭ মে) দেশটির একাধিক শহরে বিমান ও ড্রোন হামলা চালায় নেতানিয়াহু বাহিনী। এতে বেশ কয়েকজন হতাহত হন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় কয়েকটি বাড়ি ও মসজিদ। এমনকি কয়েকটি শহরের বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে নির্দেশ দেয় নেতানিয়াহু বাহিনী। লেবানন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গেল ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৭২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হন প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মানুষ। এদিকে ইসরাইলি বাহিনীর ওপর একাধিক গোলাবর্ষণের দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। অন্যদিকে গত এক সপ্তাহে হিজবুল্লাহর ২০ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে তেল আবিব। পাশাপাশি ২শ’র বেশি স্থাপনা ধ্বংস করেছে তারা। একইসঙ্গে উত্তর লেবানন সীমান্তে পরিস্থিতি মূল্যায়ন অব্যাহত রাখার কথাও জানানো হয়েছে। এমনকি হিজবুল্লাহর রাদওয়ান ফোর্সের শীর্ষ কমান্ডার নিহতের একদিন পর ফের হুমকি দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।  আরও পড়ুন: লেবাননে ‘গ্রেটার ইসরাইল’ সত্যি হয়েই গেলো! তিনি বলেন, ‘শত্রুরা যত সুরক্ষিত জায়গায় লুকিয়ে থাকুক তারা নিরাপদ নয়। পাশাপাশি অভিযান চলবে। আমি শত্রুদের স্পষ্টভাবে বলতে চাই, সন্ত্রাসীর কোনো নিরাপত্তা নেই। যে ইসরাইলকে হুমকি দেবে, তাকে এর মূল্য দিতে হবে।’  এমন পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে নতুন দফার আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইসরাইল ও লেবানন। ১৪ ও ১৫ মে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স ও এএফপি। কয়েক দশকের বৈরিতার পর এটি হবে দুই দেশের তৃতীয় সরাসরি বৈঠক। আলোচনায় লেবানন থেকে ইসরাইলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, সীমান্তবর্তী বাস্তুচ্যুত মানুষের ফিরে যাওয়া এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার পুনর্গঠন ইস্যু গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।  আরও পড়ুন: লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরাইলের হামলা, বহু হতাহত এর আগে কয়েক দফা আলোচনায় দুই দেশ মার্কিন মধ্যস্থতায় অংশ নিলেও সরাসরি কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় বিষয়টি এখনও সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে। চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই আলোচনার মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল কাঠামো গড়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Go to News Site