Collector
চেলসির সঙ্গে ড্র, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিশ্চিত করতে আরও অপেক্ষায় লিভারপুল | Collector
চেলসির সঙ্গে ড্র, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিশ্চিত করতে আরও অপেক্ষায় লিভারপুল
Jagonews24

চেলসির সঙ্গে ড্র, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিশ্চিত করতে আরও অপেক্ষায় লিভারপুল

চেলসির বিপক্ষে জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করে আবারও অপেক্ষায় থাকতে হলো লিভারপুলকে। অ্যানফিল্ডে ১-১ গোলে ড্র করেছে আর্নে স্লটের দল। ফলে আগামী মৌসুমের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা নিশ্চিত করতে আরও অন্তত একটি ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে অলরেডদের। অন্যদিকে টানা ছয় ম্যাচ হারের পর অন্তত পরাজয় এড়াতে পেরে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে চেলসি। আরেকটি হার হলে ক্লাব ইতিহাসে টানা সাত পরাজয়ের লজ্জাজনক রেকর্ড স্পর্শ করত লন্ডনের দলটি। ম্যাচের শুরুটা ছিল দারুণ। মাত্র ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় লিভারপুল। ডোমিনিক সোবোজলাইয়ের ফ্রি-কিক প্রতিহত হলে ফিরতি বলে সুযোগ তৈরি করে দেন তরুণ রিও এনগুমোহা। সেই বল থেকে দুর্দান্ত কার্লিং শটে গোল করেন রায়ান গ্রাভেনবার্খ। ডিসেম্বরের পর এটি ছিল প্রিমিয়ার লিগে তার প্রথম গোল। কিন্তু শুরুতে গোল করার পরই যেন গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ভিরগিল ফন ডাইক কাছ থেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করার পর ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় চেলসি। কোল পালমারের সৃজনশীল পাস আর মার্ক কুকুরেয়ার আক্রমণভাগে ওঠানামায় বারবার চাপে পড়ে লিভারপুল রক্ষণ। জর্জি মামারদাশভিলি কয়েকবার দুর্দান্ত সেভ না করলে প্রথমার্ধেই পিছিয়ে যেতে পারত অলরেডরা। শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরে চেলসি। কোডি গাকপোর অপ্রয়োজনীয় ফাউল থেকে পাওয়া ফ্রি-কিক নিচু শটে নেন এনজো ফার্নান্দেজ। বল কারও গায়ে না লেগেই দূরের পোস্ট ঘেঁষে জালে ঢুকে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই গোল পেলেও ভিএআরের কারণে তা বাতিল হয় অফসাইডের জন্য। কোল পালমারের গোল বাতিল হওয়ায় ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে তার গোলখরা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ ম্যাচে। অন্যদিকে কার্টিস জোন্সের হেড থেকেও গোল পায়নি লিভারপুল। ম্যাচের শেষ দিকে ঘুম ভাঙে লিভারপুলের। সোবোজলাইয়ের শট পোস্টে লাগে, ফন ডাইকের হেড ক্রসবারে আঘাত করে ফিরে আসে। কিন্তু তাতেও জয় মেলেনি। এই ড্রয়ের ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিশ্চিত করতে এখনো একটি জয় প্রয়োজন লিভারপুলের। যদিও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় শেষ পর্যন্ত দুই পয়েন্ট পেলেও কাজ হয়ে যেতে পারে, যদি ষষ্ঠ স্থানে থাকা বোর্নমাউথ বাকি সব ম্যাচ জিতে না যায়। চেলসির জন্যও এই এক পয়েন্ট খুব বেশি কাজে আসেনি। ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় জায়গা পাওয়ার আশা এখনও ঝুলে আছে অনিশ্চয়তায়। ম্যাচ শেষে লিভারপুল সমর্থকদের বিরক্তিও চোখে পড়ে। বিশেষ করে তরুণ রিও এনগুমোহাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ভালোভাবে নেননি অ্যানফিল্ডের দর্শকরা। বদলি হিসেবে সদ্য চোট কাটিয়ে ফেরা ব্রিটিশ রেকর্ড সাইনিং আলেকজান্ডার ইসাককে নামানোর সময় গ্যালারি থেকে শোনা যায় দুয়োধ্বনি। শেষ বাঁশির পরও সেই অসন্তোষ থামেনি। মাঠ ছাড়ার সময় আরও একদফা দুয়োধ্বনির মুখে পড়তে হয়েছে আর্নে স্লটের দলকে। আইএইচএস/

Go to News Site