Somoy TV
ভারতের বেঙ্গালুরু শহরে প্রকাশ্য ব্যস্ত সড়কে স্ত্রীকে মারধর ও ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করতে গিয়ে উল্টো জনতার হাতে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন এক যুবক। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (৬ মে) দুপুরে বেঙ্গালুরুর নেলামানগালা এলাকার দাসানাপুরায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবকের নাম সঞ্জয়। তিনি ভারতের বিহার রাজ্যের বাসিন্দা। তার স্ত্রী সোনালীর সঙ্গে তিনি বেঙ্গালুরুর একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, ঘটনার দিন দুপুরে সোনালী বাসা থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসতেই মোটরসাইকেলে করে সেখানে পৌঁছান সঞ্জয়। মাথায় হেলমেট পরা অবস্থায় আচমকা তিনি সোনালীর পথরোধ করেন। এরপর সঞ্জয় জোরপূর্বক সোনালীকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তার মাঝখানে নিয়ে যান। একপর্যায়ে পকেট থেকে ছুরি বের করে তার গলায় ধরে হত্যার চেষ্টা করেন। আরও পড়ুন: যাকে ‘দুর্নীতিবাজ’ বলেছিলেন মোদি, ১০ বছর পর সেই শুভেন্দুকেই বানালেন মুখ্যমন্ত্রী! ব্যস্ত সড়কে এমন ভয়াবহ দৃশ্য দেখে চারপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে হামলার সময় কয়েকজন পথচারী সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে এসে সঞ্জয়কে আটকানোর চেষ্টা করেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে মারধর করে এবং সোনালীকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। এই সুযোগে সোনালী দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন এবং বড় ধরনের হামলা থেকে রক্ষা পান। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সঞ্জয় ও সোনালীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এটি দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। নতুনভাবে জীবন শুরু করতে তারা বিহার থেকে বেঙ্গালুরুতে এসেছিলেন। আরও পড়ুন: তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু: জানা গেল কারণ সূত্র জানিয়েছে, দাম্পত্য কলহের জেরে সম্প্রতি সোনালী আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সঞ্জয় এই হামলার চেষ্টা চালান বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার পর স্থানীয় থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
Go to News Site