Somoy TV
পবিত্র হজ প্রেমময় ইবাদত। মহান আল্লাহ হজ ফরজ করেছেন সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ওপর। মহান আল্লাহ বলেন, ‘প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের ওপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ করা ফরজ।’ (সুরা আলে ইমরান: ৯৭)ইসলামে হজের গুরুত্ব অপরিসীম। হজরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলো, সর্বাধিক উত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহ ও তার রসুলের উপর ঈমান আনা। আবার জিজ্ঞেস করা হলো, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করা। আবার জিজ্ঞেস করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, হজে মাবরুর বা মকবুল হজ আদায় করা। (বুখারি ১৪২৯) হজের ফরজ হজের ফরজ তিনটি: ১. ইহরাম বাঁধা। ২. উকুফে আরাফা (৯ জিলহজ জোহর থেকে ১০ জিলহজ ফজরের আগপর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা)। ৩. তাওয়াফে জিয়ারা। (১০ জিলহজ ভোর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত যেকোনো সময় কাবাঘর তাওয়াফ করা।) আরও পড়ুন: নবীজি সা. যেভাবে কোরবানি করতেন হজের ওয়াজিব হজের ওয়াজিব ৭টি: ১. আরাফা থেকে মিনায় ফেরার পথে মুজদালিফা নামের স্থানে ১০ জিলহজ ভোর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কিছু সময় অবস্থান করা। ২. সাফা ও মারওয়া সায়ি করা বা দৌড়ানো। ৩. রমিয়ে জিমার বা ১০, ১১ ও ১২ জিলহজ জামারায় শয়তানকে পাথর মারা। ৪. তামাত্তু ও কিরান হজে দমে শোকর করা। ৫. মাথার চুল মুড়িয়ে বা কেটে ইহরাম সমাপ্ত করা। ৬. বিদায়ী তাওয়াফ করা ৭. মদিনা শরিফে গিয়ে নবী কারিম সা. এর রওজা জিয়াত করা।
Go to News Site