Jagonews24
নেত্রকোনার মদনে ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে তার ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (১০ মে) দুপুরে তিন দিনের রিমান্ড শেষে সাগরকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় তার ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা হয়। পরে ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন আদালত। নেত্রকোনা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বলেন, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নেত্রকোনার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। আরও পড়ুন: ডাক্তারের প্রশ্ন—তোমার সঙ্গে এ কাজ কে করেছে? মেয়েটি বলে ‘হুজুর হুজুর’গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়া সেই চিকিৎসককে হত্যা-গণধর্ষণের হুমকি মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশুর মা নেত্রকোনার মদন থানায় সাগরসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। পরে ৫ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে সাগরকে গ্রেফতার করে র্যাব-১৪। এরপর বৃহস্পতিবার (৭ মে) তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ২ অক্টোবর বিকেলে ক্লাস শেষে মাদরাসার অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা চলে গেলে সাগর শিশুটিকে মাদরাসা-সংলগ্ন মসজিদে ঝাড়ু দিতে বলেন। পরে বারান্দায় নিজের কক্ষ পরিষ্কার করার কথা বলে ভেতরে ডেকে নেন। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে আরও বলা হয়, শিশুটি চিৎকার করলে তাকে মারধর ও মাদরাসা থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরে মসজিদের বারান্দা-সংলগ্ন একটি কক্ষ ও শ্রেণিকক্ষেও তাকে কয়েক দফা ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ১৮ এপ্রিল শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে তার মা স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসকরা জানান। এইচ এম কামাল/এসআর/এমএস
Go to News Site