Somoy TV
রান তাড়ায় বিরাট কোহলি যে একমেবাদ্বিতীয়ম, তার প্রমাণ রাখলেন আরও একবার। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে রান তাড়া করতে নেমে অনবদ্য সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সমালোচকদের মোক্ষম জবাব দিলেন কোহলি। টানা দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর এই ইনিংসে জোরালোভাবেই প্রমাণ করলেন যে তিনি ফর্মহীন নন, বরং কেবল রান পাচ্ছিলেন না। কোহলির ব্যাটে চড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু পেয়েছে দাপুটে জয়।বুধবার (১৩মে) রায়পুরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৬ উইকেট ও ৫ বল হাতে রেখে জয় পেয়েছে স্বাগতিক রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।এদিন আগে ব্যাট করা কলকাতা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান সংগ্রহ করে। জবাবে কোহলির সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৯.১ বলেই ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বেঙ্গালুরু।এই জয়ে প্লে-অফ প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে বেঙ্গালুরু। ১২ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠেছে তারা। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট হলেও রান ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় দুইয়ে গুজরাট টাইটান্স।রায়পুরের উইকেটে পেসারদের জন্য কিছুটা সহায়তা ছিল, আর সেটিকে দারুণভাবে কাজে লাগায় বেঙ্গালুরুর বোলাররা। ফলে রান তুলতে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়েছে কলকাতাকে। আরও পড়ুন: নারী দলের সাবেক উইকেটকিপারকে পুরুষদের ফিল্ডিং কোচ বানাল ইংল্যান্ডঝোড়ো সূচনা এনে দিলেও দ্রুতই ফিন অ্যালেনকে ফিরিয়ে দেন ভুবনেশ্বর কুমার। আউট হওয়ার আগে ৮ বলে ১৮ রান করেন এই কিউই। পঞ্চম ওভারে কলকাতার অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানেকে বিদায় করেন জশ হ্যাজেলউড। আউট হওয়ার আগে ১৩ বলে ১৯ রান করেন রাহানে।তৃতীয় উইকেট জুটিতে অঙ্গকৃশ রঘুবংশী-ক্যামেরন গ্রিন দারুণ এক জুটি গড়েন। ৪০ বলে ৬৮ রান যোগ করে এই জুটি। গ্রিনকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন রাশিক সালাম। ২৪ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩২ রান করেন গ্রিন।ক্রিজে এসে রিঙ্কু সিং রঘুবংশীর সঙ্গে জুটি গড়েন। ৪৬ বলে এই জুটি যোগ করেন ৭৬ রান। ইনিংসের শেষ বলে রানআউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৭১ রান করেন। রিঙ্কু ২৯ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন।ভুবনেশ্বর, হ্যাজেলউড এবং রাশিক সালাম ১টি করে উইকেট শিকার করেন।জবাবে বেঙ্গালুরুর শুরুটা ভালোই হয়। ওপেনিংয়ে ৩৭ রান যোগ করেন কোহলি ও জ্যাকব বেথেল। এই জুটি ভাঙেন কার্তিক তিয়াগী। বেথেল ১২ বলে ১৫ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় উইকেটে দেভদূত পাডিকাল কোহলির সঙ্গে যোগ দেন। এই জুটি ৫৯ বলে ৯৬ রান যোগ করে।২৭ বলে ৭ চারে ৩৯ রান করে তিয়াগীর দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন। রজত পাতিদার ৮ বলে ১১ এবং টিম ডেভিড ২ রান করে বিদায় দেন।আরও পড়ুন: প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে ডওসনের অবসরতবে তাদের বিদায় ম্যাচের ফলে কোনো প্রভাবই ফেলেনি। কারণ এদিন মাঠে স্বরূপে আবির্ভূত কোহলি। মসৃণ, নিয়ন্ত্রিত এবং উইকেটের মাঝে দুরন্ত দৌড়ের পাশাপাশি ছিল চোখজুড়ানো সব শট। ইনিংসের শুরু ও শেষ দুই পর্যায়েই তার ব্যাটিং ছিল অসাধারণ।৬০ বলে ১১ চার ও ৩ ছক্কায় ১০৫ রানের ইনিংসে বেঙ্গালুরুকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন কোহলি। এটি আইপিএলে তার নবম সেঞ্চুরি। জিতেশ শর্মা ৮ রানে অপরাজিত থাকেন।তিয়াগী ৩২ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন। বাকি উইকেটটি যায় সুনীল নারিনের ঝুলিতে।
Go to News Site