Jagonews24
গণঅভ্যুত্থান আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আর দেশে ফেরা হয়নি বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের। দেশের বাইরে পাকিস্তান ও ভারতের মাটিতে দুটি টেস্ট সিরিজ সেই বছরই খেলেছিলেন তিনি। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে অবসর নিতে চাইলেও তা সম্ভব হয়নি নিরাপত্তাজনিত কারণে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে রওনা দিয়ে দুবাই পর্যন্ত এসে ফিরে যান তিনি। প্রায় দুই বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকা সাকিব কি মিস করেন জাতীয় দলের খেলাটা? উত্তরটা সহজেই অনুমেয়। সাকিব নিজেও দিয়েছেন সেই উত্তরটাই। সম্প্রতি দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতীয় দলে খেলা মিস করেন কি না, এই প্রশ্নের জবাবে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘হ্যাঁ, সেটা তো যে কেউই মিস করবে। ধরুন, এই যে মুশফিক ভাই, বা আরও আগের হাবিবুল বাশার ভাইয়ের কথা যদি বলি, যারা জাতীয় দলে খেলেছেন, দল থেকে বেরিয়ে প্রত্যেকেই সেটা মিস করেন, এটাই স্বাভাবিক। এটা একটা বিশেষ জায়গা।’ সাধারণত সব খেলোয়াড়রা অবসর নেন তারপর সরে যান জাতীয় দল থেকে। কিন্তু সাকিবের ক্ষেত্রে বিষয়টা ভিন্ন। তিনি খেলতে পারছেন না কিংবা দেশে ফিরতে না পারা, দুটোই মূলত রাজনৈতিক কারণে। দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা হয়েও অবসর না নিলেও খেলা হচ্ছে না জাতীয় দলের হয়ে। বাকিরা অবসরের কারণে না খেললেও তিনি খেলতে পারছেন না ভিন্ন কারণে। স্বাভাবিকভাবেই কিছু আফসোস তো থাকারই কথা। আফসোস হয় কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, ‘সেটা তো অবশ্যই ভিন্ন। তবে আফসোস কখনো লাগেনি। টেলিভিশনে দলের খেলা দেখেও কখনো মনে হয় না যে আমি তো খেলছি না! কয়েকবার সাসপেন্ড-টাসপেন্ড হয়ে অভ্যাস হয়ে গেছে মনে হয় (হাসি)। ওইটা মিস করি না। হ্যাঁ, খেলতে পারছি না, এটার কষ্ট তো আছেই।’ আগের বোর্ড থাকাকালীন সাকিব আল হাসানকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই বোর্ড না থাকায় কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। যদিও সেটি সাকিব নিজেই পরিষ্কার করে জানিয়েছেন সেটির অবস্থা, ‘কোনো অবস্থায় নেই। আমি আইনগতভাবে যা করা সম্ভব করছি। আশা করি, অন্তত একটা বিষয় খুব তাড়াতাড়ি সমাধান হয়ে যাবে। খুবই তাড়াতাড়ি। এরপর থাকবে দুইটা কেস।’ উল্লেখ্য, জাতীয় দলের হয়ে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কানপুরের ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে সবশেষ মাঠে নেমেছিলেন বাংলাদেশ দলের হয়ে। আইএন
Go to News Site