Somoy TV
রয়টার্সের বরাত দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ‘আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে হরমুজ প্রণালী সকল বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত, তবে তাদের অবশ্যই আমাদের নৌবাহিনীর সাথে সহযোগিতা করতে হবে।’বৃহস্পতিবার (১৪ মে) আরাঘচি বলেন, হরমুজ প্রণালী সকল বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। তবে তিনি জোর দেন, ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত ‘অবৈধ অবরোধ’ হিসেবে তেহরানের বর্ণনা অনুযায়ী, এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে যাতায়াতের জন্য জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানি নৌবাহিনীর সাথে সমন্বয় করতে হবে।নয়াদিল্লিতে ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আগে প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, ‘মার্কিন আগ্রাসন ও তাদের আরোপিত অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালী এখন অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ আরও পড়ুন:হরমুজ খোলার অভিযানে নজরদারি বিমান পাঠানোর ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেই জলপথে নৌ চলাচলে বাধা দেয়নি, যে পথ দিয়ে বিশ্বের তেল চালানের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ চলাচল করে।‘আমরা কোনো বাধা সৃষ্টি করিনি; আমেরিকাই এই অবরোধ তৈরি করেছে এবং আমি আশা করি আমেরিকার চাপানো এই অবৈধ অবরোধ তুলে নেয়ার মাধ্যমে এই পরিস্থিতির অবসান ঘটবে।’ আরাঘচি বলেন। উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ পথ, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর ওপর আন্তর্জাতিক মনোযোগ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। এর আগে বুধবারের শুরুতে, ইরানের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি বলেন, এই অঞ্চলে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। একইসাথে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্বপূর্ণ কূটনীতি না দেখানোর জন্য অভিযুক্ত করেন। আরও পড়ুন:ট্রাম্পের দেয়া ‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয়: ভ্যান্স এএনআই-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গরিবাবাদি বলেন, ইরান আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যেই তার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
Go to News Site