Collector
‘নির্ভয়া’ ঘটনার ১৪ বছর পর দিল্লির চলন্ত বাসে ফের ধর্ষণের ঘটনা | Collector
‘নির্ভয়া’ ঘটনার ১৪ বছর পর দিল্লির চলন্ত বাসে ফের ধর্ষণের ঘটনা
Somoy TV

‘নির্ভয়া’ ঘটনার ১৪ বছর পর দিল্লির চলন্ত বাসে ফের ধর্ষণের ঘটনা

প্রায় ১৪ বছর আগে নির্ভয়া গণধর্ষণের ঘটনা ভারতকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এবং ধর্ষণ আইনে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে বাধ্য করেছিল। এর মধ্যে দিল্লিতে একটি চলন্ত বাসের ভেতরে আরেকটি কথিত যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটল, যা ২০১২ সালের সেই বিভীষিকাকে আবার মনে করিয়ে দিলো।তদন্তকারীদের ভাষ্যমতে, সোমবার (১১ মে) রাতে ৩০ বছর বয়সী এক নারী কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে সরস্বতী বিহার এলাকার বি-ব্লক বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালে, দিল্লির রাস্তা দিয়ে চলা একটি স্লিপার বাসের ভেতরে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে।এই ঘটনাটি ২০১২ সালের ডিসেম্বরের এক ভয়াবহ স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়, যখন ‘নির্ভয়া’ নামের এক মেডিকেল ছাত্রী মুনিরকায় একটি বেসরকারি বাসে উঠে নৃশংসভাবে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। দক্ষিণ দিল্লির ওপর দিয়ে চলন্ত বাসটির ভেতরে ২৩ বছর বয়সী ওই তরুণীকে ছয়জন পুরুষ নির্যাতন করে।  আরও পড়ুন:১৪৪ বিধায়কের সমর্থন নিয়ে আস্থা ভোটে বড় জয় পেলেন বিজয় এ ঘটনায় তোলপাড় হয় ভারতে, প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে মানুষ। পরে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নির্ভয়া ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছিল। পরবর্তী বছরগুলোতে কেন্দ্র ও দিল্লি সরকার উভয়ই নারীদের সহিংসতা থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাটি আবারও এই প্রশ্ন তুলেছে যে, মাঠ পর্যায়ে সেই সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলো আসলেই কতটা কার্যকর হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। মঙ্গোলপুরীর একটি কারখানায় কাজ করেন ওই নারী। পিতমপুরায় সপরিবারে বসবাস করেন। তিনি পুলিশকে জানান যে, বাসস্ট্যান্ডের কাছে হঠাৎ একটি স্লিপার বাস থামে। তিনি গাড়িটির কাছে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তিকে সময় জিজ্ঞাসা করলে, লোকটি তাকে কাছে আসার জন্য ইশারা করে এবং এরপর জোর করে বাসের ভেতরে টেনে নেয়।পুলিশ জানিয়েছে, এরপর বাসটি নাংলোইয়ের দিকে কয়েক কিলোমিটার চলতে থাকলে গাড়ির ভেতরে দুই ব্যক্তি তাকে যৌন নির্যাতন করে। এদিকে, তদন্তে জড়িত এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, স্লিপার বাসটির জানালাগুলোতে পর্দা থাকায় বাইরের কারও পক্ষে গাড়ির ভেতরে দেখা কঠিন ছিল। তদন্তকারীরা আরও জানান, বাসটি অবশেষে নাংলোই মেট্রো স্টেশনের কাছে থামে, যেখানে অভিযুক্তরা নারীটিকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে তিনি পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে, কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌছে তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ডঃ বাবা সাহেব আম্বেদকর হাসপাতালে নিয়ে যান। পুলিশ গণধর্ষণের অভিযোগ এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩-এর প্রাসঙ্গিক ধারায় একটি এফআইআর দায়ের করেছে। আরও পড়ুন:প্রকাশ্য দিবালোকে স্ত্রীর গলা কাটতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার স্বামী! পুলিশ জানিয়েছে, চালক উমেশ এবং কন্ডাক্টর রামেন্দ্র নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Go to News Site