Collector
চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শজিমেক হাসপাতালে কর্মবিরতি | Collector
চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শজিমেক হাসপাতালে কর্মবিরতি
Jagonews24

চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শজিমেক হাসপাতালে কর্মবিরতি

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর হামলার অভিযোগে চার দফা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। বুধবার (১৩ মে) রাত ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন পালন করেন তারা। মানববন্ধনে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাদের নিরাপত্তার প্রশ্নে চারটি দাবি জানান। দাবিগুলো হলো- চিকিৎসকদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রতিটি ওয়ার্ড সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা, বুধবারের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপদ কর্মপরিবেশের নিশ্চয়তা প্রদান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ৫ মাস বয়সী শিশু নিহানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হলে স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। চিকিৎসকদের দাবি, উত্তেজিত স্বজনরা এক নারী চিকিৎসকের ওপর হামলা করেন এবং লাঞ্ছিত করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে নিহানের মা, ফুফু ও চাচাকে আটকে রাখা হলেও রাতে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। শজিমেক ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিয়ামুল হাসান বলেন, ৫০০ শয্যার হাসপাতালে আমরা ৩০০০ রোগীকে সেবা দিচ্ছি। দিনরাত সেবা দেওয়ার পরও আমাদের ওপর হামলা হচ্ছে। চিকিৎসকদের কোনো নিরাপত্তা নেই। আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য আমরা কর্মবিরতি ঘোষণা করেছি। দাবি না মানলে এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। শজিমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। একজন এটেন্ডেন্ট প্রথমে এক চিকিৎসকের গায়ে হাত দিয়েছেন। আমরা কোনো পক্ষের হামলাকেই সমর্থন করি না। ইতোমধ্যে পুরো ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোগীর স্বজনরা তাদের ভুল স্বীকার করেছেন। এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির ফলে সাধারণ রোগীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলেও সিনিয়র চিকিৎসকদের মাধ্যমে হাসপাতালের নিয়মিত কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। এল.বি/কেএইচকে/জেআইএম

Go to News Site