Somoy TV
ইউক্রেনীয় ড্রোন অনুপ্রবেশ ও নিরাপত্তা ব্যর্থতার জেরে সৃষ্ট রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন লাটভিয়ার প্রধানমন্ত্রী এভিকা সিলিনা।সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ব লাটভিয়ায় গত সপ্তাহে দুটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রিস স্প্রাদসকে বরখাস্ত করেছিলেন এভিকা সিলিনা। প্রতিবাদে স্প্রাদসের দল দ্য প্রগ্রেসিভস সিলিনার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়। ফলে আগামী অক্টোবরের নির্ধারিত সাধারণ নির্বাচনের কয়েক মাস আগেই সরকার ভেঙে পড়ে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সিলিনা বলেন, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদে একজন শক্তিশালী প্রার্থী দেখেও রাজনৈতিক বাগাড়ম্বরকারীরা একটি সংকট তৈরি করেছে। আমি পদত্যাগ করছি, কিন্তু হাল ছাড়ছি না।’ আরও পড়ুন: ইউক্রেনে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রাশিয়ার, নিহত ৬ গত ৭ মে লাটভিয়ার আকাশসীমায় ইউক্রেনের তিনটি ড্রোন প্রবেশ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতার সূত্রপাত হয়। ২০২৬ সালের শুরু থেকে এটি ছিল এ ধরনের দ্বিতীয় ঘটনা। লাটভিয়া ও ইউক্রেন দুই দেশই স্বীকার করেছে, ড্রোনগুলো সম্ভবত ইউক্রেনীয় ইউএভি ছিল, যেগুলো রাশিয়াকে লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল। তবে সিগন্যাল জ্যাম হওয়ার কারণে সেগুলো পথভ্রষ্ট হয়ে লাটভিয়ায় ঢুকে পড়ে। একটি ড্রোন মাটিতে বিধ্বস্ত হয় এবং অন্যটি রেজিকনে শহরের কাছে একটি খালি তেলজাত পণ্যের গুদামে আঘাত হানে। তৃতীয়টি লাতভিয়ার আকাশসীমায় একাধিকবার প্রবেশ ও প্রস্থান করে। ওই ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনার অনেক পর সরকার প্রতিক্রিয়া জানালেও সেটি ছিল অপর্যাপ্ত। আরও পড়ুন: যুদ্ধ শেষ করার কোনো ইচ্ছা রাশিয়ার নেই: জেলেনস্কি ঘটনার পর সিলিনা বলেন, ‘কোথাও না কোথাও ভুল হয়েছে। আমরা এই পরিস্থিতি চলতে দিতে পারি না।’ তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র এই ঘটনা নয়, লাটভিয়ার সামগ্রিক প্রতিরক্ষা খাতের পরিস্থিতির কারণেই স্প্রাদসকে পদত্যাগ করতে বলেছিলেন তিনি। সিলিনার পদত্যাগের পর লাটভিয়ার প্রেসিডেন্ট এদগারস রিনকেভিকস বলেছেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব’ নতুন সরকার গঠনের বিষয়ে ১৫ মে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।
Go to News Site