Collector
ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ‘শাটডাউন’ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের | Collector
ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ‘শাটডাউন’ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
Jagonews24

ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ‘শাটডাউন’ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

কিশোরগঞ্জের ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস বাস্তবায়নের দাবিতে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের সামনে নীলগঞ্জ সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) নীতিমালা অনুযায়ী কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চালুর দুই বছরের মধ্যে নিজস্ব জমিতে স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপন বাধ্যতামূলক। তবে অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৪ বছর পার হলেও এখনো স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়টি ইউজিসির মূল্যায়নে নিম্নমানের অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে ভবিষ্যতে সনদের গ্রহণযোগ্যতা ও পেশাগত জীবনে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও করছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থী তৌকি আহম্মেদ নাসিম ও মো. সায়ে সুমন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয় অস্থায়ী ক্যাম্পাসে পরিচালিত হচ্ছে। অথচ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ভিত্তি হলো স্থায়ী ক্যাম্পাস। আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় আছি। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন ও শাটডাউন কর্মসূচি চলবে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট তাশফিক ইসলাম রাহিন জানান, স্থায়ী ক্যাম্পাস বাস্তবায়নে ব্যর্থতা ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা এবং আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার দাবিতে এ লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার চৌধুরী খায়রুল হাসান বলেন, মূলত স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন করতে গিয়েছিলাম। সেখানে শিক্ষার্থীরা একটি শেড নির্মাণের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে শেড নির্মাণ হলেও তারা তা মানেনি এবং বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ‘ব্যক্তিগতভাবে এখন সেখানে যাইনি। সামনে পরীক্ষা এবং পরীক্ষার কারণে নিয়মিত ক্লাসও বন্ধ। ১৮ তারিখ থেকে মিড-টার্ম পরীক্ষা শুরুর কথা রয়েছে, তাই এখন পরীক্ষায় মনোযোগ দিতে হচ্ছে। পরবর্তীতে ম্যানেজমেন্ট, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব। তখনই আপনাদের বিস্তারিত জানাতে পারবো। এসকে রাসেল/এএইচ/জেআইএম

Go to News Site