Somoy TV
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় শুক্রবার (১৫ মে) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। বাজেটে প্রতিশ্রুতির চাপ - দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান খবর এটি।প্রতিবেদেনে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতিতে ভুগছে মানুষ। দেশের আর্থিক খাতের অবস্থা দুর্বল। মন্থর অবস্থায় বেসরকারি বিনিয়োগ। রাজস্ব আদায়ের পরিস্থিতিও সন্তোষজনক নয়। আছে বৈদেশিক মুদ্রার চাপ। এসবের মধ্যেও আছে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের চাপ। এমন এক পরিস্থিতিতে নিজেদের প্রথম বাজেট দিতে যাচ্ছে নতুন সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক ব্যয়সীমা ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোর প্রাক্কলন বলছে, সরকার এবার এমন একটি বাজেটের পথে এগোচ্ছে , যেখানে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যকে সামনে রেখে বড় ব্যয়ের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। আবার সেই ব্যয় নিয়ন্ত্রণেও রাখা হচ্ছে বাড়তি সতর্কতা। তারল্য সংকটে ব্যাংক - দৈনিক মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আর্থিক খাত গভীর সংকটের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পশু কেনার জন্য ব্যাংকিং খাতে নগদ টাকার চাহিদা পৃষ্ঠা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এতে বেশির ভাগ ব্যাংক তাদের কার্যক্রম চালাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। সরজমিন কয়েকটি ব্যাংকের শাখায় দেখা গেছে, গ্রাহকদের অতি প্রয়োজনের টাকা না পাওয়ার বেশ কিছু চিত্র। এর আগে ২০২৫ সালে ব্যাংকে টাকার ক্রাইসিস হলে গ্রাহকদের প্রয়োজন ছাড়া টাকা না তোলার আহ্বান জানিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।লুটপাটের প্রভাব চামড়ায় - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাজারীবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি স্থানান্তর প্রকল্পে বড় ধরনের লুটপাট হয়েছে। প্রকল্পটির ধাপে ধাপে এরকম অনিয়ম-দুর্নীতির ক্ষতচিহ্ন এখন স্পষ্ট। যুগান্তরের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন বেশ কয়েকজন ট্যানারি মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দা। তারা বলেন, বুড়িগঙ্গাকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে সরকার ট্যানারিশিল্পকে সাভারে স্থানান্তর করার উদ্যোগ নেয়। পরিবেশসম্মত আধুনিক ট্যানারি স্থাপনে ১ হাজার ৭৮ কোটি টাকার বড় প্রকল্প গ্রহণ করে। কিন্তু প্রকল্পটির কাল হয়ে দাঁড়ায় ধীরগতি ও দুর্নীতি। ২০০৩ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটি জোড়াতালি দিয়ে শেষ হয় ২০২১ সালে। এ দীর্ঘ ১৯ বছরে প্রকল্পের পিডি বা প্রকল্প পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন ১৮ জন। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। প্রত্যেকে লুটপাটে ভাগ বসিয়েছে। এ কারণে ট্যানারিশিল্পটি দুর্নীতি ও দূষণের কবলে আক্রান্ত। বুড়িগঙ্গার পর এখন ধলেশ্বরীও দূষণে ধ্বংস হচ্ছে।নিত্যপণ্যে দ্বিগুণ কর! - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঠিন অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট তৈরি করছে সরকার। সাধারণ মানুষ যখন নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে হিমশিম খাচ্ছে; আয় না বাড়লেও তারা প্রতিনিয়ত জীবনযাত্রার অতিরিক্ত খরচে রীতিমতো সংগ্রামে লিপ্ত। ঠিক সেই মুহূর্তে, অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের মন্দাভাবের মধ্যেও সরকার বড় বাজেটে বেশি কর আদায়ের পরিকল্পনা করছে। এটি করতে গিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর ধান, চাল, গম, ডাল, আলু. পেঁয়াজসহ প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্য, অন্যান্য নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র, ব্যাটারিচালিত রিকশা, মোটরসাইকেল চালানো, মোবাইল ফোন ব্যবহারসহ আরো অসংখ্য খাতে বাড়তি কর বসানোর প্রস্তাব তৈরি করেছে। সেটি বাস্তবায়ন হলে নতুন অর্থবছরে মানুষের দিনযাপন আরো কঠিন হবে। খরচের ফর্দ লম্বা হবে। কৃষকের ক্ষতির পেছনে বিএডিসির বীজও - দৈনিক সমকালের প্রথম পাতায় প্রকাশিত খবর এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক ক্ষেতে দুই রকমের ধান। কোনটি পাকা, কোনটি কাঁচা। কোনো গাছে শীষই বের হয়নি। ফলে অন্য বছরের তুলনায় ধান কাটতে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয় কৃষককে। এর মধ্যে অতিবৃষ্টি ও উজানের পানি ঢুকে পড়ে হাওরে। ডুবে যায় ধানক্ষেত। এই দুইয়ে মিলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে কৃষক। গত সপ্তাহে এ প্রতিবেদক সরেজমিন কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ ও ইটনা, সমকালের স্থানীয় প্রতিনিধিরা সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও মধ্যনগর ঘুরে কৃষি কর্মকর্তা, বীজ পরিবেশক ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পান। ধানের বীজ সরবরাহ করেছিল বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। আগামী এক দশকে পদ্মা নদীর গতিপথ আরও বদলে যাবে - দৈনিক বণিকবার্তার প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ক্রমেই বদলে যাচ্ছে দেশের প্রধান নদী পদ্মার গতিপথ। একদিকে ভাঙন, অন্যদিকে জাগছে চর, কোথাও পারে যুক্ত হচ্ছে নতুন ভূমি। নদী গবেষকরা বলছেন, আগামী এক দশকে পদ্মার গতিপথে আরো বদল আসবে। এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে জলবায়ু পরিবর্তন ও পদ্মা সেতুর প্রভাব। দেশের প্রধান এ নদীর গতিপথে দ্রুত দেশের ভূপ্রকৃতি, জনজীবন ও অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব রাখতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। নদী গবেষকরা বলছেন, ২০২৬ সালে পদ্মা নদীর গতিপথ আরো বেশি পরিবর্তনশীল হয়ে উঠেছে। নদীটি এখন আগের তুলনায় বেশি আঁকাবাঁকা ও বহু শাখায় বিভক্ত হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রাকৃতিক কারণের পাশাপাশি পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রভাবেও নদীর গতিপথ ও গঠন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এর ফলে কোথাও তীব্র নদীভাঙন, আবার কোথাও দ্রুত পলি জমে নতুন চর সৃষ্টি হচ্ছে।
Go to News Site