Somoy TV
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়েছিল ইরান। সবচেয়ে বেশি হামলা হয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতে। জবাবে ইরানে গোপনে একাধিক পাল্টা হামলা চালিয়েছে আরব আমিরাতও। এমনকি তেহরানে যৌথ হামলার জন্য আরব দেশগুলোকে নিয়ে জোট গড়ার চেষ্টাও করেছিল আবুধাবি। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।বিষয়টি সম্পর্কে জানাশোনা আছে এমন সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর পরপরই সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) উপসাগরীয় দেশগুলোকে নিয়ে তেহরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলার উদ্যোগ নিয়েছিল, তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএই’র প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ এ বিষয়ে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানসহ অঞ্চলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরলেও অন্য নেতারা এ পরামর্শ প্রত্যাখ্যান করেন। আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর ‘গোপন সফর’ অস্বীকার আরব আমিরাতের, ‘ক্ষমার অযোগ্য’ বলছে ইরান বিশ্লেষকদের মতে, এই মতপার্থক্যের কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে ইউএই ও অন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। এরই অংশ হিসেবে গত মাসে ওপেক জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয় আমিরাত। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সৌদি আরব গত মার্চ মাসে ইরানে হামলা চালিয়েছিল। এরপরই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া শান্তি প্রচেষ্টাকে সমর্থন দিয়ে অবস্থান পরিবর্তন করে রিয়াদ। আরও পড়ুন: সৌদি-ইরান ঘনিষ্ঠতার ‘মূল্য’ দিচ্ছে পাকিস্তান, শিয়া শ্রমিকদের বহিষ্কার করছে আরব আমিরাত ওই মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় বড় ভূমিকা না পাওয়ায় ইউএই অসন্তুষ্ট ছিল বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, কাতারের রাস লাফান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনায় ইরানের হামলার পর দোহা পাল্টা জবাব দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তারা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়নি। রাস লাফান বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি স্থাপনাগুলোর একটি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইউএইর যৌথ সামরিক প্রতিক্রিয়ার উদ্যোগ সম্পর্কে অবগত ছিল। ওয়াশিংটন চেয়েছিল সৌদি আরব ও কাতার ওই উদ্যোগে সমর্থন দিক।
Go to News Site