Collector
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে আসতে পারে ১২ দলের নতুন কাঠামো | Collector
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে আসতে পারে ১২ দলের নতুন কাঠামো
Somoy TV

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে আসতে পারে ১২ দলের নতুন কাঠামো

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে আবারও আলোচনায় বসছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসির প্রধান নির্বাহীদের কমিটি (সিইসি) ও বোর্ড সভায় ডব্লিউটিসির ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২১ মে ভার্চুয়াল সভা করবে সিইসি। এরপর ৩০ ও ৩১ মে আইপিএলের ফাইনাল পর্ব চলাকালে ভারতের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত হবে আইসিসির বোর্ড সভা। গত বছর ডব্লিউটিসির নতুন কাঠামো নিয়ে সুপারিশ তৈরির জন্য সাবেক নিউজিল্যান্ড ব্যাটার রজার টোসের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করেছিল আইসিসি। বর্তমানে ডব্লিউটিসির চতুর্থ চক্র চলছে। যদিও ২০২৭-২৯ চক্রে বর্তমান কাঠামো বহাল থাকার সম্ভাবনাই বেশি, তবু আলোচনায় এসেছে টুর্নামেন্ট সম্প্রসারণের বিষয়টি। ওয়ার্কিং গ্রুপের অন্যতম বড় সুপারিশ হচ্ছে, বর্তমান ৯ দলের পরিবর্তে ডব্লিউটিসিকে ১২ দলের প্রতিযোগিতায় রূপ দেয়া। এতে বাকি পূর্ণ সদস্য দেশ জিম্বাবুয়ে, আয়ার‌ল্যান্ড ও আফগানিস্তানকেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। প্রথমে এই সুপারিশ সিইসিতে আলোচনা হবে, পরে তা বোর্ড সভায় তোলা হবে। আরও পড়ুন: ২০২৭ বিশ্বকাপে কোহলি ‘খেলবেন’, তবে শর্ত একটাই এর আগে এপ্রিল মাসে ইএসপিএনক্রিকইনফো জানিয়েছিল, নতুন প্রস্তাবে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজকেও ডব্লিউটিসির অংশ করার ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ডব্লিউটিসিতে অংশ নেয়া ৯ পূর্ণ সদস্য দেশ দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার ভিত্তিতে সিরিজ আয়োজন করে থাকে। প্রতিটি দলকে দুই বছরের চক্রে তিনটি হোম ও তিনটি অ্যাওয়ে সিরিজ খেলতে হয় এবং প্রতিটি সিরিজে অন্তত দুটি টেস্ট বাধ্যতামূলক। বর্তমান ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম (এফটিপি) শেষ হবে আগামী বছরের মার্চে। এরপর ২০২৭ সালের জুনে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। যদিও এফটিপির সূচি সদস্য দেশগুলো পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করে, শেষ পর্যন্ত সেটি অনুমোদন দেয় আইসিসিই। তবে মে মাসের বৈঠকেই নতুন কাঠামো চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। আইসিসি আশা করছে, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে। আগামী জুলাইয়ে এডিনবার্গে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় এ বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত আসতে পারে। নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে সেই সভা হওয়ার কথা রয়েছে। মূলত মার্চ-এপ্রিলেই কাতারের দোহায় আইসিসির এই ত্রৈমাসিক সভাগুলো হওয়ার কথা ছিল। তবে পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংকটের কারণে তা পিছিয়ে দেয়া হয়। আরও পড়ুন: ঢাকা টেস্টে হারের পর এবার আইসিসির শাস্তিও পেল পাকিস্তান এদিকে বোর্ড সভা আহমেদাবাদে স্থানান্তর হওয়ায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অংশগ্রহণ নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সাধারণত পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি সরাসরি সভায় অংশ নেন। কিন্তু ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি ভারতে যাবেন, নাকি ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

Go to News Site