Somoy TV
আইপিএলের লিগ পর্ব শেষ হতে আর মাত্র কয়েকটি ম্যাচ বাকি। তবে ৫৯ ম্যাচ শেষে এখনো কোনো দলই নিশ্চিত করতে পারেনি প্লে-অফ। অন্যদিকে লখনৌ সুপার জায়ান্টস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ইতোমধ্যেই ছিটকে গেছে শিরোপার লড়াই থেকে। ফলে বাকি আট দলের সামনে এখন সমীকরণের জটিল হিসাব।শনিবার কলকাতা নাইট রাইডার্স ও গুজরাট টাইটান্স ম্যাচ দিয়েই বদলে যেতে পারে পয়েন্ট টেবিলের চিত্র। চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন দলের সামনে কী সমীকরণ অপেক্ষা করছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুবাকি ম্যাচ: পাঞ্জাব কিংস (অ্যাওয়ে), সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (অ্যাওয়ে)কেকেআরকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দারুণ অবস্থানে আছে বেঙ্গালুরু। ৭ হোম ম্যাচের ৬টিতেই জিতেছে তারা। প্লে-অফ নিশ্চিত করতে এখন তাদের দরকার আর মাত্র একটি জয়। ১৮ পয়েন্টে পৌঁছালে টপ টুতে থাকার সম্ভাবনাও জোরালো হবে। বিশেষ করে তাদের নেট রানরেট (+১.০৫৩) অন্য সবার চেয়ে অনেক ভালো। তবে শেষ দুই ম্যাচেই হারলে বিদায়ের শঙ্কা আছে। যদিও ১৬ পয়েন্ট নিয়েও তারা যেতে পারে শেষ চারে, সেক্ষেত্রে অন্য ম্যাচের ফল তাদের পক্ষে যেতে হবে। গুজরাট টাইটান্সবাকি ম্যাচ: কেকেআর (অ্যাওয়ে), সিএসকে (হোম)টানা পাঁচ জয়ে দুর্দান্ত ছন্দে আছে গুজরাট। শনিবার কেকেআরকে হারাতে পারলে তারাই হতে পারে প্লে-অফ নিশ্চিত করা প্রথম দল। ২০ পয়েন্ট পেলে টপ টু নিশ্চিত হয়ে যাবে। তবে ১৮ পয়েন্টেও জটিল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, কারণ বেঙ্গালুরু, রাজস্থান ও হায়দরাবাদও তখন একই পয়েন্টে শেষ করতে পারে। সেক্ষেত্রে নেট রানরেটই হবে নির্ধারক। সানরাইজার্স হায়দরাবাদবাকি ম্যাচ: সিএসকে (অ্যাওয়ে), আরসিবি (হোম)দুই ম্যাচ জিতলেই নিশ্চিত প্লে-অফ। একটি জিতলেও সুযোগ থাকবে, তবে তখন তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যদের ফলাফলের দিকে। যদি সিএসকেকে হারিয়ে আরসিবির কাছে হারে, তাহলে পাঞ্জাব ও রাজস্থানকে অন্তত একটি করে ম্যাচ হারতে হবে। আবার আরসিবিকে হারিয়ে সিএসকের কাছে হারলে ১৬ পয়েন্টে একাধিক দলের টাইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হবে। আরও পড়ুন: ১৩ বলে অর্ধশতকে উরভিলের রেকর্ড, লখনৌকে হারাল চেন্নাই পাঞ্জাব কিংসবাকি ম্যাচ: আরসিবি (হোম), এলএসজি (অ্যাওয়ে)প্রথম সাত ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পেলেও পরে টানা পাঁচ হারে বিপাকে পড়ে পাঞ্জাব। তবু সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়নি। দুই ম্যাচ জিতলে ১৭ পয়েন্ট হবে, যা তাদের প্লে-অফে তুলতে যথেষ্ট হতে পারে। কারণ আরসিবি ও হায়দরাবাদ একে অপরের মুখোমুখি হবে, ফলে অন্তত একটি দল ১৬-এর বেশি যেতে পারবে না। ১৫ পয়েন্ট পেলেও সুযোগ থাকবে, তবে তখন নির্ভর করতে হবে অন্য দলের ব্যর্থতার ওপর। রাজস্থান রয়্যালসবাকি ম্যাচ: দিল্লি ক্যাপিটালস (অ্যাওয়ে), এলএসজি (হোম), মুম্বাই (অ্যাওয়ে)রাজস্থানের তিন প্রতিপক্ষই ইতোমধ্যে ছিটকে গেছে। ফলে তিন ম্যাচ জিততে পারলে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে নিশ্চিতভাবে প্লে-অফে চলে যাবে তারা। ১৬ পয়েন্ট নিয়েও সুযোগ আছে, যদি পাঞ্জাব অন্তত একটি ম্যাচ হারে। তখন নেট রানরেট বড় ভূমিকা রাখতে পারে। চেন্নাই সুপার কিংসবাকি ম্যাচ: সানরাইজার্স (হোম), গুজরাট (অ্যাওয়ে)লখনৌ কাছে হারের পর নিজেদের ভাগ্যের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে চেন্নাই। নেট রানরেট কমে যাওয়ায় তারা নেমে গেছে ষষ্ঠ স্থানে। দুই ম্যাচ জিতলে ১৬ পয়েন্ট হবে, কিন্তু তখনও অন্যদের ফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। বিশেষ করে রাজস্থান ও পাঞ্জাবকে একাধিক ম্যাচ হারতে হবে। ১৪ পয়েন্ট নিয়েও তাদের সুযোগ আছে, তবে সেক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি সমীকরণ মিলে যেতে হবে। আরও পড়ুন: অশালীন শব্দ ব্যবহার করায় কোহলিদের কোচকে জরিমানা কলকাতা নাইট রাইডার্সবাকি ম্যাচ: গুজরাট (হোম), মুম্বাই (হোম), দিল্লি (হোম)তিনটি ম্যাচই নিজেদের মাঠে খেলবে কলকাতা। সব জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ১৫। কিন্তু সেটাও যথেষ্ট নাও হতে পারে। কারণ হায়দরাবাদ, পাঞ্জাব, রাজস্থান ও চেন্নাই; এই চার দলের যেকোনো কয়েকটি ১৬ বা তার বেশি পয়েন্টে পৌঁছে যেতে পারে। তখন কেকেআরের সুযোগ শেষ হয়ে যাবে। তবে ১৩ পয়েন্ট নিয়েও নাটকীয়ভাবে সুযোগ তৈরি হতে পারে, যদি অন্য কয়েকটি দল টানা হারতে থাকে। দিল্লি ক্যাপিটালসবাকি ম্যাচ: রাজস্থান (হোম), কেকেআর (অ্যাওয়ে)দিল্লির সামনে সমীকরণ সবচেয়ে কঠিন। প্রথম শর্তই হলো, দুই ম্যাচ জিততেই হবে। তবে তাদের নেট রানরেট (-০.৯৯৩) এতটাই খারাপ যে টাই পরিস্থিতিতে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব। তাই শুধু জিতলেই হবে না, অন্য দলগুলোর ফলও যেতে হবে তাদের অনুকূলে।
Go to News Site