Jagonews24
চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর তাইওয়ানকে চীনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা না করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই সতর্কবার্তার কয়েক ঘণ্টা পরেই শনিবার তাইওয়ান নিজেকে একটি ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্র বলে ঘোষণা করেছে। খবর এএফপির। শুক্রবার ট্রাম্প বেইজিংয়ে তার রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করেছেন। তার এই সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাকে তাইওয়ানকে সমর্থন না দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছেন। চীন তাইওয়ানকে তার ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে। বলপূর্বক দ্বীপটি দখল করার হুমকি বাস্তবায়ন থেকে চীনকে বিরত রাখতে তাইওয়ান মার্কিন নিরাপত্তা সমর্থনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, তাইওয়ান একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অধীন নয়। ট্রাম্প বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে ইঙ্গিত দেওয়ার পর মন্ত্রণালয় আরও জোর দিয়ে বলেছে যে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি তাইওয়ানের প্রতি ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ। ট্রাম্প দ্বীপরাষ্ট্রটিকে স্বাধীনতা ঘোষণার বিরুদ্ধে সতর্ক করার পরই তাইওয়ান নিজেকে স্বাধীন রাষ্ট্র বলে ঘোষণা দিলো। ফক্স নিউজের ‘স্পেশাল রিপোর্ট উইথ ব্রেট বেয়ার’-কে ট্রাম্প বলেন, আমি চাই না কেউ স্বাধীন হোক। আর আপনারা জানেন, আমাদের তো যুদ্ধ করার জন্য ৯৫০০ মাইল ভ্রমণ করতে হয়। আমি সেটা চাই না। আমি চাই তারা শান্ত হোক। আমি চাই চীন শান্ত হোক। তিনি আরও বলেন, আমরা যুদ্ধ চাই না এবং যদি পরিস্থিতি যেমন আছে তেমনই থাকে, আমার মনে হয় চীন তাতে রাজি থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র শুধু বেইজিংকে স্বীকৃতি দেয় এবং তাইওয়ানের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না, কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে স্বাধীনতার বিরোধিতা করে এমন কথা স্পষ্টভাবে বলা থেকে বিরত থেকেছে। মার্কিন আইন অনুযায়ী, তাইওয়ানের প্রতিরক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অস্ত্র সরবরাহ করতে হবে, কিন্তু মার্কিন বাহিনী দ্বীপটিকে সাহায্য করতে আসবে কি না সে বিষয়টি অস্পষ্ট। শি জিনপিং ট্রাম্পকে বলেছেন যে, এই সংবেদনশীল বিষয়ে ভুল পদক্ষেপ ‘সংঘাত’ সৃষ্টি করতে পারে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় শনিবার উল্লেখ করেছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একাধিকবার এই মর্মে পুনঃনিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে যে, তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক নীতি ও অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। মুখপাত্র ক্যারেন কুও এক বিবৃতিতে বলেন, তাইওয়ান-মার্কিন সহযোগিতা সর্বদা কাজের মাধ্যমেই প্রদর্শিত হয়েছে। টিটিএন
Go to News Site