Jagonews24
বকেয়া বাসাভাড়া পরিশোধ করতে না পেরে নিজের স্ত্রী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যাকে ধর্ষণের জন্য বাড়িওয়ালার হাতে তুলে দেওয়ার জঘন্য অভিযোগ উঠেছে ভারতের এক যুবকের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি গুজরাটের মোরবি এলাকায় এই রোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটেছে। এতে অভিযুক্ত স্বামী এবং বাড়িওয়ালা—দুজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের বরাতে স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, পরিবারটি মূলত গুজরাটের সুরেন্দ্রনগরের বাসিন্দা। জীবিকার সন্ধানে প্রায় ছয় মাস আগে তারা মোরবি এলাকায় চলে আসেন এবং সেখানে মাসে দুই হাজার রুপি ভাড়ায় একটি বাসায় থাকতে শুরু করেন। কিন্তু চরম আর্থিক অনটনের কারণে গত চার মাস তারা বাসার ভাড়া পরিশোধ করতে পারছিলেন না। বকেয়া ভাড়া আদায়ের জন্য বাড়িওয়ালা ক্রমাগত চাপ দিতে থাকলে, ওই যুবক এক ভয়াবহ ও বিকৃত চুক্তিতে লিপ্ত হন। বকেয়া টাকার বদলে তিনি নিজের স্ত্রী এবং নাবালিকা কন্যাসন্তানকে একাধিকবার যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করার সুযোগ করে দেন বাড়িওয়ালাকে। বাড়িওয়ালাও এই সুযোগে দিনের পর দিন মা ও মেয়ের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। আরও পড়ুন>>ভারতে এক বছরে ২০ হাজার কন্যাশিশুকে ধর্ষণভারতে বাসের ভেতরে ধর্ষণ, ১০০ মিটারের মধ্যেই ছিল পুলিশ স্টেশনভারতে কলেজছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় তিন শিক্ষক গ্রেফতারভারতে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতনের দায়ে দম্পতির মৃত্যুদণ্ড ভয়াবহ এই নির্যাতনের বিষয়টি কোনোভাবে ভুক্তভোগী নারীর মায়ের (শাশুড়ি) নজরে আসে। তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত মোরবি থানায় গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত স্বামী এবং নির্যাতনকারী বাড়িওয়ালাকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির কঠোর ধারা এবং শিশুদের সুরক্ষার্থে গঠিত বিশেষ আইন ‘পকসো’-এর আওতায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে। পাশাপাশি নির্যাতনের শিকার মা ও শিশুর নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভিকেএএ/
Go to News Site