Collector
অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার: চীনের ৫ নাগরিক ফের রিমান্ডে | Collector
অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার: চীনের ৫ নাগরিক ফের রিমান্ডে
Jagonews24

অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার: চীনের ৫ নাগরিক ফের রিমান্ডে

অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা এবং অবৈধ ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার পাঁচজন চীনা নাগরিককে ফের দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকি শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া পাঁচ আসামি হলেন, এমএ জি (৩৩), ঝাং জিয়াহাও (২২), লিও জিঞ্জি (৩২), ওয়াং শিবো (২৪) ও জেমস ঝু (৪৩)। কারাগারে পাঠানো হয়েছে চাং তিয়ানতিয়ান (২৯), মো. কাউসার হোসেন (২৪) ও মো. আব্দুল কারিমকে (২৮)। দুইদিনের রিমান্ড শেষে আজ আট আসামিকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাইবার টিম দক্ষিণ বিভাগের উপপরিচালক (এসআই) মো. রাশেদুল ইসলাম। এ সময় পাঁচজনকে আরও তিনদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। অন্যদিকে, বাকি তিন আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়। আরও পড়ুনঅনলাইন জুয়া ও অর্থ পাচার: চীনের ৬ নাগরিকসহ ৮ জন রিমান্ডে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পাঁচজনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং বাকি তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের এএসআই রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ১৩ মে রাজধানীর উত্তরা ও তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে নয়জনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এ ঘটনায় ডিবির সাইবার টিমের এসআই সুব্রত দাশ বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় মামলা করেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ফেসবুক, ইউটিউব, টেলিগ্রাম গ্রুপ এবং বিভিন্ন ভুয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হচ্ছিল। বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে দ্রুত লাভের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ সংগ্রহ করে তা বিদেশে পাচার করা হতো। ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানে তিনটি ৬৪-পোর্ট বিশিষ্ট, একটি ২৫৬-পোর্ট বিশিষ্ট ও একটি ৮-পোর্ট বিশিষ্ট জিএসএম সিম মডিউল বা ভিওআইপি গেটওয়ে, প্রায় ২৮০টি সিম কার্ড, একাধিক ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বিদেশি চক্রগুলো সহজে মানুষকে প্রলুব্ধ করতে পারায় বাংলাদেশকে টার্গেট করছে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ দ্রুত বিদেশে পাচার করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এমডিএএ/এমএএইচ/

Go to News Site