Collector
কর্ণফুলী সংযুক্ত খাল পরিদর্শন তিন প্রতিমন্ত্রীর, ড্রেজিংয়ে সন্তোষ | Collector
কর্ণফুলী সংযুক্ত খাল পরিদর্শন তিন প্রতিমন্ত্রীর, ড্রেজিংয়ে সন্তোষ
Jagonews24

কর্ণফুলী সংযুক্ত খাল পরিদর্শন তিন প্রতিমন্ত্রীর, ড্রেজিংয়ে সন্তোষ

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে সংযুক্ত মহেশখালসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মুখে চলমান ড্রেজিং কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। শনিবার (১৬ মে) অনুষ্ঠিত এ পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ। এ সময় তিনি কর্ণফুলী নদীর নাব্য রক্ষা এবং খালগুলোর মুখে চলমান ড্রেজিং কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীদের বিস্তারিত ব্রিফিং দেন। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, কর্ণফুলী নদীর যথাযথ নাব্য বজায় রাখা এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলোর মুখে নিরবচ্ছিন্ন পানির প্রবাহ নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব অর্থায়নে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফলে চট্টগ্রাম নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সহজ হয়েছে, যা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে সংযুক্ত এসব খালের মুখ ড্রেজিংয়ের দায়িত্ব চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে পালন করতে হলে বিপুল অর্থ ব্যয় হতো। তবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উল্লেখযোগ্য অর্থ সাশ্রয় হয়েছে। আরও জানানো হয়, কর্ণফুলী নদীর সদরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতুর উজান পর্যন্ত প্রায় ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার নেভিগেশনাল চ্যানেল এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত আটটি গুরুত্বপূর্ণ খালসহ কর্ণফুলীর বিভিন্ন স্থানে বছরে প্রায় ১৫ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক গতি প্রবাহ বজায় থাকছে এবং পলি জমার হার অনেকাংশে কমে আসছে। এ কার্যক্রমের আওতায় খালগুলোর সম্মুখভাগে ড্রেজিং বাবদ চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে বলে জানানো হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এ উদ্যোগের সুফল চট্টগ্রামবাসী এরই মধ্যে পাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও পাবে। পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রীরা নদী ও খালমুখের বিদ্যমান ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীমুখ ভরাটের কারণে যেন নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন। পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক, চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার ওবায়েদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মোহাম্মদ সারোয়ারুল ইসলাম, পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কমান্ডার সৈয়দ সাজ্জাদুর রহমানসহ বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। কেএইচ/এমএএইচ/

Go to News Site