Collector
এই সেঞ্চুরি লিটনের কাছে যে কার‍ণে ‘আলাদা’ | Collector
এই সেঞ্চুরি লিটনের কাছে যে কার‍ণে ‘আলাদা’
Jagonews24

এই সেঞ্চুরি লিটনের কাছে যে কার‍ণে ‘আলাদা’

লিটন দাস শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এমন এক সেঞ্চুরি করলেন যেটা বাংলাদেশের দলে খুব কম ব্যাটারই ধারাবাহিকভাবে করতে পারেন। দলের বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের বোলারদের সামলে খেললেন ১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। এতে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারানো বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করে ২৭৮ রান। দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের ব্যাটিং নিয়ে অনেকটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই কথা বলেন লিটন দাস। তিনি বলেন, ‘আমার ভূমিকা আলাদা। কখনো টপ অর্ডার রান করে ফেলে, আমি তখন ৬০-৭০ ওভারের পর উইকেটে আসি যখন বল ঘুরতে শুরু করে। আমার কাজ হলো যেকোনো পরিস্থিতি উপভোগ করা। কঠিন ছিল, তবে উপভোগ করার মতো অনেক কিছুই ছিল।’ এই ইনিংসটা তার কাছে আলাদা লাগার কারণও আছে। আগের বড় ইনিংসগুলোতে পাশে স্বীকৃত ব্যাটার ছিলেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম, রাওয়ালপিন্ডিতে মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু এবার শুরু থেকেই তাকে সামলাতে হয়েছে টেল-এন্ডার তাইজুল ইসলামকে, ‘রাওয়ালপিন্ডিতে মিরাজ ছিল, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিক ভাই ছিল। আজ শুরু থেকেই তাইজুল ভাই ছিল। এই ইনিংসটা তাই আলাদা।’ সেঞ্চুরি কি লক্ষ্য ছিল? লিটনের উত্তর ছিল একদম পরিষ্কার — না। শুরুতে মাথায় ছিল দলকে ২০০-এর কাছে নেওয়া। তিনি বলেন, ‘আমি ড্রেসিংরুমে জিজ্ঞেস করেছিলাম অ্যাটাকিং খেলব কি না। ওখান থেকে বলা হয়েছিল রান করার জন্য খেলতে। আমি সেটাই করেছি।’ নব্বইয়ের দিকে এসে অবশ্য চাপ অনুভব করেছিলেন লিটন, ‘আমি একটু চিন্তায় ছিলাম। বারবার শরিফুলের প্যাডে বল লাগছিল। আমি ওকে বারবার বলছিলাম সামনে খেলতে। সে লম্বা, ওই লেন্থে বল সবসময় ঝুঁকি তৈরি করে। কিন্তু সে খুব ভালো সাপোর্ট দিয়েছে।’ আউট হওয়ার বলটা ছিল শর্ট, ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন তিনি। পাকিস্তান আগের দুই ইনিংসের মতো এবারও তাকে শর্ট বল দিয়ে টার্গেট করেছে বলে মনে করেন লিটন, ‘গত দুই ইনিংসে বাউন্সারে আউট হয়েছি, আজকেও তাই। আমার মনে হয় ওরা এটা মাথায় রেখেছিল। কিন্তু আমি আসলে বাউন্সার উপভোগ করেছি।’ ম্যাচের অবস্থান নিয়ে লিটনের ভাবনা একটাই — পাকিস্তানকে যেন প্রথম ইনিংসে এগিয়ে যেতে না দেওয়া যায়। সকালে কন্ডিশন কাজে লাগানোই হবে মূল পরিকল্পনা। তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব লিড না দিতে। সিলেটের উইকেট ম্যাচ যত এগোয় তত ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হয়ে যায়। সকালে যদি আকাশ মেঘলা থাকে, প্রথম ১০ ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওই সময় এক-দুইটা উইকেট নিতে পারলে ওরা চাপে পড়ে যাবে।’ এসকেডি/আইএন

Go to News Site