Collector
বাড়ি বাড়ি রক্তমাখা চিঠি দিয়ে ডাকাতির হুমকি, আতঙ্কে গ্রামবাসী | Collector
বাড়ি বাড়ি রক্তমাখা চিঠি দিয়ে ডাকাতির হুমকি, আতঙ্কে গ্রামবাসী
Somoy TV

বাড়ি বাড়ি রক্তমাখা চিঠি দিয়ে ডাকাতির হুমকি, আতঙ্কে গ্রামবাসী

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের টেকুয়াপাড়া গ্রামে একের পর এক রক্তমাখা চিঠি দিয়ে হত্যা ও ডাকাতির হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত কয়েক দিনে গ্রামের অন্তত তিনটি বাড়িতে নিজেদের ‘রঘু ডাকাত’ পরিচয় দিয়ে এই চিঠিগুলো পাঠিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এমন অদ্ভুত ও ভীতিকর ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।চিঠিতে দুর্বৃত্তরা লিখেছে, 'কালকে আপনাদের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসবো, তাই দরজা খোলা রাখবেন, না খুলে রাখলে জিন্দা খালাস...? ইতি রঘু ডাকাত।'এলাকাবাসী জানান, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে গ্রামবাসী যখন স্থানীয় একটি ক্লাবঘরে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন, সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা স্থানীয় বাসিন্দা আবু সাঈদের বাড়ি থেকে দুটি গরু লুটের চেষ্টা চালায়। এ সময় বাড়ির মেয়ে ও পেশায় গৃহশিক্ষক বিথি খাতুন বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে ক্লাবঘর থেকে লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে দুর্বৃত্তরা গরু ফেলে পালিয়ে যায়।এ ঘটনার পরদিন শুক্রবার (১৫ মে) সকালে বিথি খাতুনদের বাড়িতে একটি রক্তমাখা চিঠি পাওয়া যায়। চিঠিতে সুনির্দিষ্টভাবে বিথিকে হুমকি দিয়ে লেখা ছিল, 'আপনার মেয়ের জন্য আজকে বেঁচে গেলেন, ভাইবেন না আবার বাচবেন। এই বছরের প্রথম বারের মিছ হলো ঐ ম্যাডামের জন্য, দেখে লেবো মেয়ে মানুষের এত সাহস ভালো না। কালকে রাতে বাচতে চাইলে দরজা খোলা রাখবেন। নাহ রাখলে জিন্দা লাস বানিয়ে দিবো। ইতি রঘু ডাকাত। কোট নং ০৬।'ভুক্তভোগী আবু সাঈদ বলেন, 'আমাদের গরু চুরি করার সময় আমার মেয়ে ওদের দেখে ফেলেছিল। পরে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এরপর ওরা এই রক্তমাখা চিঠি দিয়ে গেছে। শুধু আমাদের না, এভাবে আরও দুই-তিনটি বাড়িতেও চিঠি দেওয়া হয়েছে।'আরও পড়ুন: বরগুনায় ডাকাতের গুলিতে বাড়ির মালিক গুলিবিদ্ধ, আটক ৩চিঠি দিয়ে হুমকির এই অভিনব কৌশলে টেকুয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দাদের মাঝে রাত জেগে পাহারা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, 'বাড়ি বাড়ি চিঠি দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমেই আমি বিষয়টি প্রথম অবগত হয়েছি।ওসি আরও জানান, বিষয়টি জানার পরপরই ইতিমধ্যে পুলিশের একটি দল ওই গ্রামে পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Go to News Site