Somoy TV
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে এক বাক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে ওই মাদ্রাসাশিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।এর আগে শুক্রবার (১৫ মে) রাতে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।গ্রেফতার শিক্ষক সাব্বির আহমদ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও জনতরী গ্রামের মোহাম্মদ তাজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি নাঙ্গলকোট উপজেলার শ্রীহাস্য ছিদ্দিক আলী মোয়াল্লেম শাহ হাফেজিয়া নূরানী মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণী দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদ্রাসায় রান্নার কাজ করতেন। কাজের সুবাদে শিক্ষক সাব্বির আহমদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করেন তিনি। একপর্যায়ে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।আরও পড়ুন: বাসা ভাড়া দিতে না পেরে স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণের সুযোগ, স্বামীসহ গ্রেফতার ২পরিবারের সদস্যরা জানান, পরে তরুণীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাকে ওষুধ সেবন করানো হয়েছে। পরে তরুণীর ইশারায় অভিযুক্ত শিক্ষককে শনাক্ত করা হয়। এরপর স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে হেফাজতে নেয় এবং ভুক্তভোগী তরুণীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।আরও পড়ুন: শিশু ধর্ষণের অভিযোগে সালিশে ডেকে মারধর, বিএনপি নেতার মৃত্যুএ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে ফজলুল হক বলেন, ‘অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।’
Go to News Site