Collector
‘এআই ক্যামেরায় সতর্ক চালকরা’, ‘কৌশল পাল্টাচ্ছে জাল টাকার কারবারিরা’ | Collector
‘এআই ক্যামেরায় সতর্ক চালকরা’, ‘কৌশল পাল্টাচ্ছে জাল টাকার কারবারিরা’
Somoy TV

‘এআই ক্যামেরায় সতর্ক চালকরা’, ‘কৌশল পাল্টাচ্ছে জাল টাকার কারবারিরা’

প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় রোববার (১৭ মে) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। উচ্চশিক্ষায় আবাসিক সংকট - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান খবর এটি।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের শীর্ষ চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র আবাসন সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন হাজারো শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠার কয়েক দশক পেরিয়ে গেলেও আবাসন সক্ষমতা না বাড়ায় ঢাবি, রাবি ও চবিতে মাত্র ২৭ থেকে ৪৬ শতাংশ শিক্ষার্থী হলের সুবিধা পাচ্ছেন। অন্যদিকে জবির ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে মাত্র একটি ছাত্রীহল।  যারা হলে থাকছেন, তাদেরও দিন কাটছে গাদাগাদি গণরুম, নিম্নমানের খাবার আর স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে। বাধ্য হয়ে বাকি বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে থাকতে হচ্ছে মেস বা ভাড়া বাসায়। অতিরিক্ত খরচ, নিরাপত্তাহীনতা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে চরম ভোগান্তি ও মানসিক চাপে ব্যাহত হচ্ছে তাদের শিক্ষাজীবন। এআই ক্যামেরায় সতর্ক চালকরা - দৈনিক মানবজমিনের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। এআই ক্যামেরায় সড়কের ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। সিগন্যালের লাল বাতি জ্বললেই দাঁড়িয়ে যাচ্ছে সব যানবাহন। অটো মামলার ভয়ে শুধু দিনের আলো নয়, গভীর রাতেও ট্রাফিক পুলিশবিহীন সিগন্যালে নিয়ম মেনে চলছেন চালকরা। লাল বাতি জ্বললেই কেউ আর সিগন্যাল ভেঙে সামনে এগুচ্ছেন না। এমন কী ফুটপাথেও উঠছেন না মোটরসাইকেল চালকরা। গতকাল সরজমিন রাজধানীর অন্যতম যানজট এলাকা বিজয় সরণি মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, আগে যেখানে ট্রাফিক পুলিশের হাতের ইশারাতেও কাউকে থামানো যেতো না। গাড়ির পেছন পেছন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের দৌড়ানোর পরও ফাঁক-ফোকর দিয়ে গাড়ি চলে যেতো। নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটতো। সেখানে পুলিশের উপস্থিতি ছাড়াই প্রতিটি যানবাহনই সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল করছে। সবার নজরে ট্রাফিক সিগন্যালের লাল, হলুদ ও সবুজ বাতি। লাল আলো জ্বললেই থেমে যাচ্ছে সবাই। আর সিগন্যাল লাইটের ওপরে দেখানো নির্দিষ্ট সময় পর পর সবুজ আলো চালু হওয়ার পরই সবাই সামনে এগুচ্ছেন। কেউ জেব্রা ক্রসিংও পার হচ্ছেন না।  কৌশল পাল্টাচ্ছে জাল টাকার কারবারিরা - দৈনিক মানবজমিনের প্রথম পাতায় প্রকাশিত আরেকটি খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দরজায় কড়া নাড়ছে কোরবানি ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে পোশাক কেনা থেকে শুরু করে পশু কেনার প্রস্তুতিও নিয়েছেন অনেকে। আর এই ঈদকে ঘিরে সক্রিয় হয়েছে জাল টাকার কারবারিরা। কারণ দুই ঈদকে ঘিরে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের হাতে কম বেশি টাকা আনাগোনা থাকে। এ সময়টা গ্রাম থেকে শুরু করে শহরের বাজারে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি ব্যবসা-বাণিজ্য হয়। এ ছাড়া কোরবানি ঈদে পশুর হাটে শতকোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জাল টাকা বাজারে ছড়ানোর পাঁয়তারা করছে জাল টাকার কারবারিরা। ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জাল টাকার কারবারিরা ধরা পড়েছে। তাদের কাছ থেকে ঈদ বাজারে জাল টাকা নিয়ে পাঁয়তারার কথা জানতে পেরেছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। তারপর থেকে বেশ নড়েচড়ে বসেছেন পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দারা। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। জাল কারবারের সঙ্গে আগে থেকে যারা জড়িত ছিলেন তাদেরকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। কারণ ইতিমধ্যে যারা গ্রেপ্তার হয়ে জেল থেকে জামিনে বের হয়েছেন তারা আবার একই কারবারে জড়িয়েছেন। আখের তৈরি লাল চিনিতে ‘বিষ’ - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, শিশুখাদ্য তৈরি এবং চায়ের কাপে মিষ্টির স্বাদ বাড়াতে সাধারণ মানুষ যে লাল চিনি ব্যবহার করেন, তা নিয়ে ভয়ংকর প্রতারণার প্রমাণ মিলেছে। বেশি লাভের আশায় অসাধু চক্র নিম্নমানের চিনি এবং চিনিতে রাসায়নিক রং মিশিয়ে বাজারে বিক্রি করছে। সাধারণ পরিশোধিত সাদা চিনির সঙ্গে লাল বা গাঢ় বাদামি রঙের কেমিক্যাল মিশিয়ে কালার করছে অসাধু সিন্ডিকেট চক্র, যা আখের ‘লাল চিনি’ নামে পরিচিত।  এ চিনি প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর বলে প্রচার করা হলেও বাস্তবে এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক কেমিক্যাল এবং শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত রং মেশানো হচ্ছে, যা খাবারের মাধ্যমে সরাসরি মানবদেহে প্রবেশ করছে। অজান্তেই সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ রোগ। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন এই ভেজাল চিনি খেলে কিডনি, লিভার, ক্যানসারসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি রয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতির মুখে পড়ছে শিশু।এপ্রিলে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ৪৬ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে সরকার - দৈনিক বণিকবার্তার প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে গত এপ্রিলে ৪৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে সরকার। এ অর্থের বড় অংশই আবার ব্যয় হয়েছে এর আগে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে নেয়া ঋণ পরিশোধে। মূলত কাঙ্ক্ষিত হারে রাজস্ব আহরণ না হওয়ায় সরকারকে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। তাছাড়া অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে সরকারি ব্যয়ের গতি বাড়ার কারণেও এ সময় সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বেড়ে যায়। তবে দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যয় মেটাতে ঋণ করার পুরনো কৌশল থেকে বের হয়ে আসার তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।  বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, এ বছরের মার্চে সরকার ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ৩৩ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। এক মাসের ব্যবধানে গত এপ্রিলে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে সরকারের নেয়া অর্থের পরিমাণ ৩৯ শতাংশ বেড়ে ৪৬ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এর আগে ইস্যু করা ট্রেজারি বিলের দায় পরিশোধে ব্যয় হয়েছে। ফলে এপ্রিলে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে সরকারের নেয়া নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকায়।হামের মৃত্যুর গতি ছাড়াল করোনাকে - দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মাত্র ৬২ দিনে সংক্রামক রোগ হাম ও এর উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা সাড়ে চার শ ছাড়িয়ে গেছে। গত কয়েক দশকে এত অল্প সময়ে সংক্রামক কোনো রোগে এত বেশি শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। বিশ্বেই সম্পূর্ণ নতুন রোগ করোনা সংক্রমণের শুরুর প্রথম নয় সপ্তাহে (৬৩ দিন) দেশে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় সোয়া তিন শ মানুষের।সম্ভাব্য প্রাণঘাতী রোগ ডেঙ্গুতেও এত কম সময়ে মৃত্যুহারের এমন দ্রুত বৃদ্ধি বা তীব্রতা দেখা যায়নি। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, করোনা, ডেঙ্গু ও হামের প্রকৃতি ভিন্ন হলেও স্বল্প সময়ে হামে মৃত্যুর এই দ্রুত বৃদ্ধি সংক্রমণের তুলনামূলকভাবে বেশ উঁচু গতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপরও লক্ষণীয় তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে।

Go to News Site