Jagonews24
সপ্তাহের ব্যবধানে খুলনার বাজারে সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি ও গরুর মাংসের দাম বাড়ার পর এ সপ্তাহে তা অপরিবর্তিত রয়েছে। রোববার (১৭ মে) খুলনার গল্লামারী বাজার, নিউমার্কেট বাজার ও খালিশপুর বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৬০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, কুশি ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০ টাকা, শসা ৬০ টাকা এবং পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। অন্যদিকে আলু ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং রসুন ৭০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। গল্লামারী বাজারের সবজি ব্যবসায়ী কামাল মিয়া বলেন, বাজারে মৌসুমী সবজির সরবরাহ কম। এর ওপর তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। পাইকারি বাজারে দাম কমলে খুচরাতেও কমে যাবে। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মুরগি ব্যবসায়ী ছাদেকুল দাবি করেন, গত সপ্তাহের চেয়ে মুরগির দাম ৫ থেকে ১০ টাকা কমতে শুরু করেছে। বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে অপরিবর্তিত রয়েছে। অন্যদিকে মাছের বাজারে আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, কাতল ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং চিংড়ি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া তেলাপিয়া ও পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে। মাছ বিক্রেতা হামিদুল বলেন, মোকামে সরবরাহ কম এবং পরিবহন ব্যয় বাড়ায় মাছের দাম কিছুটা চড়া। নিউমার্কেট বাজারে আসা ক্রেতা মুরারী বাবু বলেন, মাছ-মাংস ও সবজির দাম যেভাবে বেড়েছে, তাতে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে সবকিছু। রফিকুল ইসলাম নামের আরেক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাজারে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা চলছে। প্রশাসন সপ্তাহে অন্তত একবার বাজার মনিটরিং করলে ব্যবসায়ীরা যখন-তখন দাম বাড়াতে পারত না। নিয়মিত দাম বাড়ায় মধ্যবিত্তদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। আরিফুর রহমান/কেএইচকে/জেআইএম
Go to News Site