Somoy TV
‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’ বিলুপ্তির পর এই সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১৯ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন ও বিচার বিভাগ। আলাদা একটি অফিস আদেশে এই কর্মকর্তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে যোগদানের তারিখ চলতি বছরের ১০ এপ্রিল থেকে ভূতাপেক্ষভাবে কার্যকর দেখানো হয়েছে। এর আগের দিন, অর্থাৎ গত ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল’ পাসের মাধ্যমে অধ্যাদেশটি বাতিল করা হয়েছিল এবং ১০ এপ্রিল এর গেজেট প্রকাশিত হয়। মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ অনুযায়ী বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের ১৫ জন সদস্যকে পরবর্তী উপযুক্ত পদে পদায়নের নিমিত্ত পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হলো। আরও পড়ুন: ফেসবুকে পোস্ট, অধস্তন আদালতের ২৮ বিচারককে শোকজপ্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সংযুক্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সিনিয়র সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান। অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা বেগম শারমিন নিগার, মোহাম্মদ হালিম উল্ল্যাহ চৌধুরী, রুহুল আমীন ও মো. হেমায়েত উদ্দিনকে সংযুক্ত কর্মকর্তা (জেলা ও দায়রা জজ) হিসেবে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।একই সঙ্গে যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা মুন্সী আব্দুল মজিদ, মোহা. ইমদাদুল হক, বি এম তারিকুল কবীর ও মনজুর কাদেরকে সংযুক্ত কর্মকর্তা (জেলা ও দায়রা জজ) হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা মো. হারুন রেজা ও মো. হাফিজুল ইসলামকে সংযুক্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ), সুব্রত ঘোষ শুভ ও বেগম মুহসিনা হোসেন তুষিকে সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) এবং বেগম সাদিয়া আফরীন ও মো. আরমান হোসেনকে সংযুক্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সিভিল জজ) হিসেবে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদানুসারে তাদের দাখিল করা যোগদানপত্র ১০ এপ্রিল থেকে ভূতাপেক্ষভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের বিচার ব্যবস্থার শীর্ষ আদালতের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এ সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। তবে গত ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল’ পাস করার মাধ্যমে অধ্যাদেশটি বাতিল করা হয়। এর মাধ্যমে বহুল আলোচিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং তারই ধারাবাহিকতায় এই কর্মকর্তাদের মূল মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে নেয়া হলো।
Go to News Site