Somoy TV
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। জুলাইয়ে সরকারি বেতন বাড়ছে, চাপ বাড়বে বেসরকারি কর্মীদের - দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ এক দশক পর দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আসছে নতুন বেতনকাঠামো, আগামী ১ জুলাই থেকে যা কার্যকর হচ্ছে। নবম জাতীয় বেতন কাঠামোয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও বেসরকারি খাতের কোটি কোটি কর্মীর বেতনকাঠামোয় আপাতত কোনো পরিবর্তন আসছে না। ফলে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে ক্রয়ক্ষমতার ব্যবধান আরও প্রকট হবে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। তিন অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও আসন্ন বাজেটে এ জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হচ্ছে, যা বাজারে মনস্তাত্ত্বিক মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি করতে পারে।রামিসার জন্য কান্না-ক্ষোভ - দৈনিক মানবজমিনের প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, রামিসা আক্তার। পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। আবদুল হান্নান মোল্লা ও পারভীন আক্তার দম্পতির চোখের মণি ছিল ৮ বছর বয়সী এই রামিসা। হাসি-ঠাট্টা, গল্প, বায়না- কোনো কিছুরই যেন কমতি ছিল না সংসারে। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে ফুটফুটে শিশুটির সঙ্গে যা হয়েছে তা দেখে হতভম্ব পুরো দেশ। ক্ষুব্ধ, বাকরুদ্ধ মানুষ। রামিসার বাবা-মায়ের কান্না থামানোর যেন কোনো ভাষা নেই। শোকার্ত ক্ষুব্ধ পিতা আহাজারি করে বলছেন, বিচার চেয়ে কি লাভ, আমার রামিসা তো আর ফিরবে না। কী হবে বিচার চেয়ে। কয়েকদিন পর সবাই ভুলে যাবে। ওদিকে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বীকারোক্তি দিয়েছে ঘাতক। বসুন্ধরা যেন রাষ্ট্রের ভেতর আরেক রাষ্ট্র - দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান খবর এটি।প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৭ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখনো বসুন্ধরা গ্রুপের হাতে।অনেকেই বলছেন, এলাকাটি যেন রাষ্ট্রের ভেতরে আরেকটি রাষ্ট্র। প্রথম আলো এলাকাটির অন্তত ১৫ জন জমির মালিক, ফ্ল্যাটমালিক, ভাড়াটে, আবাসন ব্যবসায়ী, জমির ক্রেতা ও কেনাবেচার মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কথা বলেছে। তাঁরা বলেছেন, সেখানে নিজেদের মতো করে নিয়ম তৈরি করে বসুন্ধরা গ্রুপ। এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান।ঘুচবে কি দুঃখ তিস্তাপারে - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিন যায়, মাস যায়, চলে গেছে বছরের পর বছর। তবুও তিস্তার দুই পারের মানুষের দুঃখ ঘোচেনি। মেলেনি তিস্তা নদীর পানির নায্য হিস্যা। ভারত পানি আটকে রাখায় শুষ্ক মৌসুমে স্রোতঃস্বিনী তিস্তার রূপ হয়ে যায় মরুভূমির মতো। আর বর্ষায় ভারত থেকে অতিরিক্ত পানি ছাড়ার কারণে বন্যা ও নদী ভাঙনের বিপর্যস্ত হন দুই কূলের মানুষ। দফায় দফায় প্রতিশ্রুতির পরেও তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি করেনি ভারত।আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিস্তা মহাপরিকল্পনার উদ্যোগ ও সমীক্ষার কাজ করা হলেও বাস্তবে কোনো ফলাফল আসেনি। বিএনপি সরকারের পথচলার শুরুতেই তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কিছু সংশোধন এবং সেখানে পানি সংরক্ষণের অপশন যুক্ত করে নতুনভাবে প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল ঘোষণা দিয়েছেন পদ্মা ব্যারাজের মতো তিস্তা ব্যারাজও হবে।
Go to News Site