Collector
শিহাবের বিরুদ্ধে যৌনাচার-মামলার পরও কেন মাদ্রাসায় রাখা হলো, তদন্ত হবে: ডিএমপি | Collector
শিহাবের বিরুদ্ধে যৌনাচার-মামলার পরও কেন মাদ্রাসায় রাখা হলো, তদন্ত হবে: ডিএমপি
Somoy TV

শিহাবের বিরুদ্ধে যৌনাচার-মামলার পরও কেন মাদ্রাসায় রাখা হলো, তদন্ত হবে: ডিএমপি

গ্রেফতার শিহাবের বিরুদ্ধে আগে থেকে যৌনাচারের অভিযোগ ও মামলা ছিল তারপরও কেন মাদ্রাসায় রাখা হলো-এ নিয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি উপকমিশনার ও মিডিয়া সেলের প্রধান এন এম নাসিরউদ্দিন।বৃহস্পতিবার (২১ মে) সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। ডিএমপি মিডিয়া সেল প্রধান এন এম নাসিরউদ্দিন বলেন, ঢাকার বনশ্রীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বলাৎকারের পর আত্মহত্যার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার শিহাবের বিরুদ্ধে এর আগেও বেশ কয়েকটি বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ ছিল। ছিল একটি মামলাও তারপরেও কেন তাকে মাদ্রাসায় রাখা হলো এ নিয়ে তদন্ত হবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আমরা পেয়েছি মো. শিহাব (২০) ওই শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের পরে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়। তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাকে আজই আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে। এদিন রামপুরা থানা সূত্রে জানা যায়, বলাৎকার ও আত্মহত্যায় প্ররোচণার দেয়ার একাধিক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় করা মামলার আসামি শিহাব হোসেন নামে এক যুবককে পাবনা জেলার বেড়া থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করে রামপুরা থানা পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৯ মে রাত ১০টার দিকে রামপুরা থানাধীন বনশ্রী সি-ব্লকস্থ আলোকিত কোরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসায় মো. আব্দুল্লাহ (১০) নামে এক শিশু গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। এ সংবাদ পেয়ে রামপুরা থানার একটি চৌকস দল উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে ঘটনাস্থলে যায়। মরদেহের সূরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এ সময় সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকালে ডিসিস্টের পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌনাচারের লক্ষণ পরিলক্ষিত হয় পুলিশ সদস্যদের। পরে হিফজ মাদ্রাসা কর্মকর্তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জানা যায় মো. শিহাব হোসেনের (১৯) নাম উঠে আসে। মো. শিহাব হোসেনের বাবার নাম আ. মতিন। সাং খাকছাড়া, থানা-বেড়া, জেলা-পাবনা। আরও পড়ুন: ধর্ষণ-হত্যা: কী ঘটেছিল ছোট্ট রামিসার সঙ্গে, জবানবন্দিতে জানাল সোহেল জানা যায়, ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদ্রাসার ০৪ (চার) জন ছাত্রের সাথে অস্বাভাবিক যৌনচারে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ আছে। এসব বিষয়ে অবহিত হওয়ার পর উক্ত বিষয়ে থানায় শিহাব হোসেনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করা হয়। প্রাপ্ত এজাহারের পরিপ্রেক্ষিতে রামপুরা থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩) এর ৯(১) মামলা করা হয়। পুলিশ জানায় ১৯ মে আব্দুল্লাহ ফাঁসি নেয়ার আগেই মো. শিহাব হোসেন (১৯) ওই মাদ্রাসা থেকে তার গ্রামের বাড়িতে চলে যায়। পরে ২০মে রামপুরা থানার একটি আভিধানিক দল আসামি শিহাবকে পাবনা জেলার বেড়া থানাধীন খাকছাড়া গ্রামে অভিযানে গ্রেফতার করে। শিশু আব্দুল্লাহের মা মোছা. টুকু আরা খাতুন রামপুরা থানায় মো. শিহাব হোসেন (১৯) ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন।

Go to News Site