Collector
সভাপতি দুটো অপশন দিয়েছিল, এটা বেছে নিয়েছি—এইচপির কোচ হয়ে সালাউদ্দিন | Collector
সভাপতি দুটো অপশন দিয়েছিল, এটা বেছে নিয়েছি—এইচপির কোচ হয়ে সালাউদ্দিন
Somoy TV

সভাপতি দুটো অপশন দিয়েছিল, এটা বেছে নিয়েছি—এইচপির কোচ হয়ে সালাউদ্দিন

পাকিস্তান সিরিজের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের যাত্রা শেষ হলো। তবে বিসিবির সঙ্গে সম্পর্ক এখনই শেষ হচ্ছে না তার। বিসিবির হাই-পারফরম্যান্স ইউনিটের হেড কোচের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটের জনপ্রিয় এই কোচকে।জাতীয় দলে দুই দফায় কাজ করার পর এইচপির সঙ্গে এবার কাজ করবেন সালাউদ্দিন। কোচ সালাউদ্দিনের কোনো আক্ষেপ আছে কি না, এমন প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। তবে তার মতে, নির্দিষ্ট কোনো দলের কোচ হওয়ার ইচ্ছা তার ছিল না, কোচ হিসেবে যেকোনো দলের হয়ে কাজ করতেই রাজি তিনি।আজ (২১ মে) মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি কোনো দিন বলিনি আমাকে জাতীয় দলের কোচ বানাতেই হবে। আপনারাই বলেছেন, আপনারাই বানিয়েছেন। দিন শেষে আমি কোচ, যেখানে কাজ করে মজা পাব সেখানেই করব। আমি এমন একটা মানুষ, আমার কোনো আক্ষেপ নেই। আমি কখনও আক্ষেপ নিয়ে বাঁচি না।’সালাউদ্দিন জানান, তার কাছে সুযোগ ছিল জাতীয় দলের কোচিং চালিয়ে যাওয়া। তবে তিনি দেশের ক্রিকেটের পাইপলাইন শক্তিশালী করাকেই গুরুত্ব দিয়েছেন, ‘প্রেসিডেন্ট তামিম ইকবাল আমাকে দুটি অপশন দিয়ে একটি চয়েজ করতে বলেছিল। জাতীয় দলে সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করে যেতে। দেশের ক্রিকেটের পাইপলাইনটাকে আরও শক্তিশালী করার কাজে যোগ দিতে। আলোচনার পর আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিয়েছি।’আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারতের মতো দলের বিপক্ষে বেশি টেস্ট চান শান্ততবে জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমকে মিস করবেন, জানিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি তো বাংলাদেশ-স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যাচ্ছি না। ওরা এখানে ক্রিকেট খেলবে, আমি এখানেই থাকব, কাছাকাছিই থাকব। বেশি দূরে যাচ্ছি না তো। মিস করার তেমন কিছু নেই। হয়ত ড্রেসিংরুমের ভেতরটা মিস করতে হতে পারে। সময়গুলো ভালো ছিল। কোচিং তো আমাকে করতেই হবে। ওরাও আমার কাছে আবার আসবে। টাইগার্স নেই এখন, আমার অধীনেই চলে আসবে।’এইচপি দল নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘শুরুতে এইচপি নামে হয়তো কার্যক্রম শুরু হবে। কিন্তু ধীরে ধীরে সেটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেট একাডেমিতে রূপান্তরিত হবে। ইনজুরিতে পড়লে আমাদের পেসারদের সুস্থ হতে অনেক সময় লাগছে। আমি বিশ্বমানের একটা রিহ্যাব সেন্টার তৈরি করতে চাই। যেটার বাস্তবায়ন হলে এই সমস্যার সমাধান হবে।’

Go to News Site