Collector
‘হামে শিশুমৃত্যু ৫০০ ছুঁই ছুঁই’, ‘অভিযানে গিয়ে বারবার আক্রান্ত হচ্ছে পুলিশ’ | Collector
‘হামে শিশুমৃত্যু ৫০০ ছুঁই ছুঁই’, ‘অভিযানে গিয়ে বারবার আক্রান্ত হচ্ছে পুলিশ’
Somoy TV

‘হামে শিশুমৃত্যু ৫০০ ছুঁই ছুঁই’, ‘অভিযানে গিয়ে বারবার আক্রান্ত হচ্ছে পুলিশ’

প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় শনিবার (২৩ মে) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। হামে শিশুমৃত্যু ৫০০ ছুঁই ছুঁই - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব ক্রমে বড় জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিচ্ছে। সংক্রমণ বাড়ার পাশাপাশি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে শিশুমৃত্যু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরো ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল, আর ৯ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৪৯৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৮৫ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছিল এবং ৪১৪ শিশু উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে।  ঢাকায় সবচেয়ে বেশি, ২১০ জন মারা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এক হাজার ২৬১ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৫৪০। আক্রান্তদের বড় অংশই শিশু, বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এত শিশুমৃত্যুর দায় কার - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান খবর এটি।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আড়াই মাসে হামে পাঁচশ শিশুর মৃত্যু। অথচ এই মৃত্যু ঠেকানো যেত, যদি সময়মতো গণটিকা কার্যক্রম চলত। পরপর তিন সরকারের চরম অবহেলা এবং জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সিদ্ধান্তহীনতার মূল্য দিতে হচ্ছে শত শত শিশুর প্রাণে। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার স্বাস্থ্য খাতের সেক্টর প্রোগ্রাম বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার বিকল্প ব্যবস্থা না নিয়েই সেটি একেবারে বাতিল করে দেয়।  এছাড়া তিন দফায় পেছায় টিকা ক্যাম্পেইন। আর জানুয়ারিতে সংক্রমণ শুরু হলেও ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসা নতুন সরকার দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। হাসপাতালগুলোতেও পর্যাপ্ত হাই ফ্লো অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর, আইসিইউ, পিআইসিইউ, শয্যা ও আইসোলেশন নিশ্চিত করা যায়নি। স্বাস্থ্য খাতের এই ধারাবাহিক অবহেলার কারণেই দেশে হামে এত মৃত্যু বলে অভিযোগ জনস্বাস্থ্যবিদদের। সন্তান হারানো পরিবারগুলো বলছে, দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। শিশুদের ওপর কেন এই নৃশংসতা - দৈনিক মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে একের পর এক শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক চারপাশে। কোনোভাবেই লাগাম টানা যাচ্ছে না এসব নির্মম অপরাধের। প্রতিশোধ, হতাশা বা ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে নিজের সন্তানকে হত্যা। গত সাড়ে চার মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১১৮ শিশু। গত এক সপ্তাহে অন্তত চার শিশুকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।  রাজধানী ঢাকা, সিলেট, ঠাকুরগাঁও ও মুন্সীগঞ্জে ঘটে যাওয়া এসব নির্মম হত্যাকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযুক্তরা ছিল শিশুদের পরিচিত মানুষ, যা অভিভাবকদের নিরাপত্তা-শঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। যাদের হাত ধরে বেড়ে ওঠার কথা, কখনো সেই হাতই হয়ে উঠছে মৃত্যুর কারণ। একটি বেসরকারি সংস্থার তথ্যমতে গত ১৬ মাসে হত্যার শিকার হয়েছে অন্তত ৫২৫ শিশু।শিশু ধর্ষণ-হত্যাসহ নিষ্ঠুর অপরাধ বাড়াচ্ছে মাদক! - দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশু হত্যাসহ নিষ্ঠুরতম অপরাধ বেড়েই চলছে। এ ধরনের নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে মাদক। ভয়ংকর অপরাধীর সহজপথ্য হলো মাদক। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা এমন অভিমতই ব্যক্ত করেছেন। অপরাধ বিশেষজ্ঞ বলেছেন, নিষ্ঠুরতম শিশু হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সমাজের সর্বস্তরে মূল্যবোধ চর্চার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই এধরনের চরম নিষ্ঠুর অপরাধ রোধ করা সম্ভব।  একজন মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবীর মতে, শিশু হত্যা ও ধর্ষণকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত এবং কার্যকর করা ছাড়া এটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। অন্যথায় শিশু রামিসার মতো হূদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা একের পর এক ঘটতেই থাকবে। আকাশপথে মানব পাচারের ৭ রুট চিহ্নিত, নতুন গন্তব্য কম্বোডিয়া ও লাওস - দৈনিক বণিকবার্তায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে পর্যটন, শিক্ষা ও চাকরির ভিসার আড়ালে তরুণদের ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া কিংবা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাচার করা হচ্ছে। এজন্য ব্যবহার করা হচ্ছে সাতটি আন্তর্জাতিক রুট। এর মধ্যে মানব পাচারের নতুন কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কম্বোডিয়া ও লাওস। বাংলাদেশ থেকে প্রথমে থাইল্যান্ড এবং পরে কম্বোডিয়া বা লাওসে নেয়া হয়।সেখানে তথাকথিত ‘অনলাইন চাকরি’ বা ‘কাস্টমার সার্ভিস’ কাজের প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও অনেকে সাইবার স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েন। জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণা, জুয়া কিংবা আর্থিক জালিয়াতির কাজে বাধ্য করা হয়। পালাতে চাইলে নির্যাতনের শিকার হতে হয়। পাশাপাশি সমুদ্রপথে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রার মাধ্যমে অসংখ্য মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। মানব পাচার নিয়ে কাজ করা পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রতিবেদনে এসব রুটের তথ্য উঠে এসেছে।অভিযানে গিয়ে বারবার আক্রান্ত হচ্ছে পুলিশ - দৈনিক সমকালের প্রধান খবর এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে অনেকটা গতি ফিরলেও অভিযানে গিয়ে একের পর এক হামলার শিকার হওয়ায় ঘটছে ছন্দপতন। এমনকি অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ১ মে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানের মধ্যেও থেমে নেই আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা। চলতি মাসে এ পর্যন্ত ঢাকাসহ ৯ জেলায় অন্তত ১৩টি স্থানে হামলা হয়েছে। এতে আহত হন পুলিশ ও র‍্যাবের অন্তত ৩২ সদস্য। এ ছাড়া চলতি বছরের প্রথম চার মাসে আরও ২১৩টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। পৃথক ঘটনায় সিলেট ও চট্টগ্রামে মারা গেছেন পুলিশ ও র‍্যাবের দুই সদস্য।  এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে সারাদেশে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে পট পরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় ‘মব’ ও হামলার শিকার হয় পুলিশ। এতে পুলিশের মনোবল ভেঙে যায়। আবার অনেক পুলিশ সদস্য মামলা, সংযুক্তি, প্রত্যাহার ও চাকরি হারানোর মতো পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন- এমন আতঙ্কে রয়েছেন। তাই পুলিশ এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।ঢাকার সড়কে এআই জাদু - দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পাতার শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কদিন আগেও এ সিগন্যালে গাড়ি থামাতে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের রীতিমতো ছোটাছুটি করতে হতো। এখন সেটা লাগছে না। ট্রাফিক আইন মানাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্যামেরা বসানোর পর থেকেই এ পরিবর্তন। রাজধানীর ৩০টি মোড় বা ক্রসিংয়ে এই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহনকে জরিমানা করা হচ্ছে। ভয়ে চালকেরা আইন মানছেন।   ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে ৭ মে থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। এআইভিত্তিক ক্যামেরায় সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করার সফটওয়্যার সংযোজন করা হয়েছে। সফটওয়্যারের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে সেই গাড়ি শনাক্ত করছে ক্যামেরা। সে অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের নামে ডিজিটালি মামলা দেয়া হচ্ছে।

Go to News Site