Collector
হাটে ভারতীয় গরু প্রবেশের শঙ্কায় খামারিরা | Collector
হাটে ভারতীয় গরু প্রবেশের শঙ্কায় খামারিরা
Jagonews24

হাটে ভারতীয় গরু প্রবেশের শঙ্কায় খামারিরা

সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরে পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা। ক্রেতারা হাট, খামার ও গৃহস্থের বাড়ি ঘুরে পছন্দের পশু কিনছেন। তবে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করলে লোকসানের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় খামারিরা। জেলা পুলিশ বলছে, ভারতীয় গরু ঠেকাতে সীমান্তে পুলিশ, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শেরপুর নৌহাটা পৌর গরু-মহিষের হাট, আব্দুস সামাদ গরুহাটি, নালিতাবাড়ী বাইবাস মোড় হাট, ঝিনাইগাতী সদর বাজার হাট ঘুরে খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভালো দামের আশায় তারা সারাবছর গরু লালন-পালন করেছেন। তবে এবার বাজার দর অন্যান্যবারের চেয়ে কম। আর যদি ভারতীয় গরু ঢুকে, তাহলে পুরোপুরি লোকসান গুনতে হবে। খামারিরা জানান, ধানের কুড়া, খেসারি, ধান, ভুট্টা ও ভুসিমিশ্রিত দানাদার খাবার সবকিছুর বাজার চড়া। শেরপুরে কাঁচা ঘাস সহজেই পাওয়া যায় না। আর খড়ের দামও অনেক বেশি। তারমধ্যে শ্রমিকের মজুরি, বিদ্যুৎ বিল, চিকিৎসা খরচসহ আনুষঙ্গিক সব খরচই বেশি। তাই লাভ মিলানো এবার কঠিন। ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর হাটে কথা হয় কাংশার খামারি আব্দুল কাদের মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, বাপু এবার সব কিছুর দাম বেশি। ভূসি ৬৫ টাকা কেজি, কুড়ার বস্তা ১৫শ’, খড়ের আঁটি সাড়ে সাত টাকা থেকে আট করে পড়েছে। এরমধ্যে শ্রমিক খরচের হিসাব রয়েছে। আর হাটে ক্রেতারা একেবারেই বেমানান দাম বলছে৷ নালিতাবাড়ী বাইপাস মোড় হাটে আসা খামারি হোসাইন মিয়া বলেন, খাবার থেকে পোশাক, সবকিছুর দাম বেড়েছে। কোথাও আপত্তি নেই, আপত্তি কেবল গরুর ন্যায্য দাম চাইলে। এবার আমাদের লাভ হবে না আর যদি ভারতীয় গরু আসে তাহলে সর্বনাশ। আমাদের খামারিদের বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ, কোনোভাবেই যেনো সীমান্তের ওপারের গরু না আসে। এদিকে জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের প্রধান ডাক্তার রেজুয়ানুল হক ভূঁইয়া বলেন, জেলায় এবার স্থায়ী ২০ হাট বসেছে। এবং প্রতিটি হাটেই আমাদের মেডিকেল টিম কাজ করছে। তাছাড়া জেলায় চাহিদা রয়েছে ৬২ হাজার কোরবানির পশুর আর জোগান রয়েছে প্রায় ৯৩ হাজার পশু। জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, সীমান্তে গরুসহ অন্যান্য চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গে জেলা পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছেন। সীমান্তে গরুর চোরাচালান শূন্য রাখা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বদ্ধপরিকর। মো. নাঈম ইসলাম/এনএইচআর/এমএস

Go to News Site