Jagonews24
রাজধানীর বাড্ডা থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর শুনানিতে আদালতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথী। শুনানিকালে তিনি আদালতকে বলেন, ‘এর চেয়ে আমাকে ক্রসফায়ারে দিয়ে মেরে ফেলেন।’ শনিবার (২৩ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম পুলিশের আবেদনের পর বিথিকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমিনুর রহমান গত ১৫ মে বিথিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত পরে আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ২৩ মে দিন ধার্য করেন। এদিন কারাগার থেকে বিথীকে আদালতে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। তিনি আদালতকে জানান, মামলার ঘটনার সঙ্গে বিথির সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকায় তদন্ত কর্মকর্তা তাকে গ্রেফতারের আবেদন করেছেন। শুনানির একপর্যায়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন বিথী। তিনি বলেন, ‘আমার একটা ছোট মেয়ে আছে। বারবার মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত না। শুধুমাত্র বাবার পরিচয়ের কারণেই আমাকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, আমি আগে একটি মামলায় জামিন পেয়েছিলাম। পরে আবার নতুন মামলা দেওয়া হয়েছে। কেন বারবার এভাবে মামলায় জড়ানো হচ্ছে, বুঝতে পারছি না। গ্রেফতারের ঘটনাও আদালতে তুলে ধরেন বিথী। তার ভাষ্য, বাবাকে দেখতে কারাগারে গেলে সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়। তিনি দাবি করেন, জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় তিনি পার্টটাইম কাজের জন্য সিলেটে অবস্থান করছিলেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রগতি সরণি এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে বের হওয়া একটি মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র কর্মীরা হামলা ও গুলিবর্ষণ করলে সোহেলী তামান্না গুরুতর আহত হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার বাম হাতের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর সোহেলী তামান্না বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এমডিএএ/এমএমকে
Go to News Site