Collector
কক্সবাজার মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে লাল পতাকা স্থাপন | Collector
কক্সবাজার মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে লাল পতাকা স্থাপন
Somoy TV

কক্সবাজার মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে লাল পতাকা স্থাপন

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলো চিহ্নিত করে শতাধিক লাল পতাকা স্থাপনা করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।শনিবার (২৩ মে) দিনব্যাপী চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কক্সবাজার অংশে এ কার্যক্রম চালানো হয় বিআরটিএ কক্সবাজার সার্কেল।বিআরটিএ কক্সবাজার কার্যালয় জানায়- কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। এতে প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে-ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলো দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দুর্ঘটনা কমাতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, বিআরটিএ’র চেয়ারম্যানের নির্দেশনা এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সার্কেলের পরিচালকের তত্ত্বাবধানে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।বিআরটিএ কক্সবাজার সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) মো. কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে শনিবার দিনব্যাপী সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে লাল পতাকা স্থাপনের কাজ বাস্তনবায়ন করা হয়। প্রায় ৭৭ কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কক্সবাজার অংশে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে লাল পতাকা স্থাপন করা হয়। চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে বানিয়াছড়া, চিরিংগা হাইওয়ে ফাঁড়ি, চকরিয়া সরকারি কলেজ গেট, মালুমঘাট, খ্রিস্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতাল এলাকা, ফাঁসিয়াখালী আর্মি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা, ফকিরা বাজার, রাবার বাগান, জোয়ারিয়ানালা সংলগ্ন এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট।বিআরটিএ কক্সবাজার কার্যালয় জানায়, এসব এলাকায় লাল পতাকা স্থাপনের মাধ্যমে চালকদের সতর্ক করা এবং দুর্ঘটনা হ্রাসে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই মূল লক্ষ্য। মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।বিআরটিএ কক্সবাজার সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) মো. কামারুজ্জামান বলেন, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ততম একটি সড়ক, যেখানে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের গণপরিবহন চলাচল করে থাকে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে যাত্রী ও চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ কক্সবাজার সার্কেল বিশেষ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।আরও পড়ুন: ‘মৃত্যুর বাঁকে’ এবার সংস্কারের হাত, চার লেনের পথে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কতিনি বলেন, প্রায় ৭৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়কে বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক রয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে সেখানে সতর্কতামূলক লাল পতাকা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বানিয়াছড়া, চিটিংগা, হায়ারখালী, চকরিয়া সরকারি কলেজ গেট, মালুমঘাট খ্রিস্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতাল এলাকা, ফাঁসিয়াখালী আর্মি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা, ফকিরা বাজার, রাবার বাগানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট।মো. কামারুজ্জামান আরও বলেন, এসব উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো চালকদের সতর্ক করা এবং সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা। ঈদ মৌসুমে যাত্রী চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সড়ক নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।এদিকে, শনিবার সময় সংবাদে “মৃত্যুর বাঁকে-এবার সংস্কারের হাত, চার লেনের পথে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক” বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

Go to News Site