Jagonews24
ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেছেন, ভারতের জেন জি আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশ বা নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির তুলনা করা অপমানজনক। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে সিজেপির জনপ্রিয়তা বাড়ার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অভিজিৎ দিপকে বলেন, অনেক সাংবাদিক জানতে চাইছেন ভারতের জেন জি আন্দোলন বাংলাদেশ বা নেপালের মতো পরিস্থিতিতে রূপ নেবে কি না। তিনি লিখেছেন, ‘আমি এটা স্পষ্ট করতে চাই, এ ধরনের তুলনা করে ভারতের জেন জিকে অপমান বা খাটো করবেন না। এ দেশের তরুণরা অনেক বেশি পরিণত, সচেতন ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল।’ আরও পড়ুন>>ভারতে ঝড় তুলেছে ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’তেলাপোকার কাছে হেরে গেল মোদীর বিজেপি!‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতাকে প্রাণনাশের হুমকি‘তেলাপোকা’র ভয়ে কাঁপছে মোদী সরকার, বন্ধ করলো ওয়েবসাইটও Many journalists have been asking me whether this GenZ movement will turn into what happened in Nepal or Bangladesh. Let me make this absolutely clear. Do not insult or underestimate the GenZ of India by making such comparisons. The youth of this country are far more mature,… — Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) May 19, 2026 গত সপ্তাহে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্য ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র উত্থান হয়। বেকার তরুণদের একাংশকে ‘তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছিল বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলনের সূচনা হয়। পরে সূর্য কান্ত তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি তরুণদের নয়, ভুয়া ডিগ্রিধারীদের সমালোচনা করেছিলেন। তবে সেই বিতর্ক থামেনি। প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে তেলাপোকা আন্দোলন দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে এই প্ল্যাটফর্মে ছয় লাখের বেশি মানুষ নিবন্ধন করেছেন। ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর সংখ্যাতেও তারা ভারতের শাসক দল বিজেপিকে ছাড়িয়ে গেছে। কেন উঠল বাংলাদেশ-নেপাল প্রসঙ্গ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় তরুণদের নেতৃত্বে বড় ধরনের রাজনৈতিক আন্দোলন হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে অনেকে ভারতের জেন জি আন্দোলনের সঙ্গে এসব ঘটনার তুলনা করতে শুরু করেন। তবে অভিজিৎ দিপকে এমন তুলনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার দাবি, ‘ভারতের তরুণদের যতটা কৃতিত্ব দেওয়া হয়, তারা তার চেয়ে অনেক বেশি পরিণত, সচেতন এবং রাজনৈতিকভাবে সচেতন। তারা তাদের সাংবিধানিক অধিকার বোঝে এবং শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে তাদের ভিন্নমত প্রকাশ করবে।’ সূত্র: মিন্টকেএএ/
Go to News Site