Somoy TV
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ রোববার চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে উল্লেখ করে পুলিশ জানিয়েছে, এ মামলার ডিএনএ পরীক্ষার কাজ এরইমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ জানান, ‘ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং রোববার চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, চার্জশিট প্রস্তুত এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ডিএনএসহ বিভিন্ন প্রতিবেদন পরীক্ষা করছেন। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেফতার করা হয় এবং তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আরও পড়ুন: শ্রেণিকক্ষে বসে অঝোরে কাঁদলেন রামিসার বাবা, কাঁদালেন সহপাঠীদেরও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। তদন্তকারীরা আরও বলেন, ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদ ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অভিযুক্ত দাবি করেন যে, ঘটনার আগে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। তদন্তকারীরা আরও জানান, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর পরিবারের মধ্যে পূর্বে কোনো শত্রুতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ২০ মে পল্লবী থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেইদিনই পুলিশ অভিযুক্ত ও তার স্ত্রীকে আদালতে হাজির করে এবং তদন্তের স্বার্থে পৃথক আবেদন জমা দেয়। গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল রানা। সূত্র বাসস
Go to News Site