Jagonews24
বিদেশে দীর্ঘদিন কাটিয়ে দেশে ফিরে আত্মকর্মসংস্থানের অনন্য দৃষ্টান্ত গড়েছেন পটুয়াখালীর সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কোরিয়া প্রবাসী ইব্রাহিম বিশ্বাস। মাত্র তিনটি গরু দিয়ে শুরু করা তার খামারে এখন রয়েছে ৫০টিরও বেশি গরু। আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন ১০ থেকে ১২টি বড় আকৃতির গরু, যার প্রতিটির ওজন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মণ। তার এই আধুনিক খামার এখন স্থানীয়ভাবে সফলতার এক উদাহরণ হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, বর্তমানে তার খামারে পাঁচজন কর্মচারী নিয়মিত কাজ করছেন খামারি ইব্রাহিম বিশ্বাস জানান, প্রতিদিন গরুর খাবারের পেছনে তার প্রায় ১৫ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়। তবে গরু মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ইনজেকশন ব্যবহার করা হয় না। দেশীয় ও প্রাকৃতিক খাবার খাইয়েই গরুগুলো বড় করা হয়েছে। গরুর বেশিরভাগ খাবার তিনি নিজস্ব জমিতে চাষ করেন। তিনি আরও জানান, তার খামারে বর্তমানে প্রায় তিন কোটি টাকার গরু রয়েছে। এছাড়া ১০টিরও বেশি গাভী রয়েছে, যেখান থেকে প্রতিদিন দুধ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করা হয়। কর্মচারী নজরুল মিয়া বলেন, এই খামারে আমি দুই বছর ধরে কাজ করছি। এখানে প্রতিদিন দুধ উৎপাদন হয় সেগুলো আমরা বাজারে বিক্রি করি এবং নিজেদের উৎপাদন কর ঘাস খামরের গরুকে খাওয়ানো হয়। এখানে আমাদের ভালো একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছ মিয়া বলেন, ইব্রাহিম বিশ্বাস বিদেশ থেকে এসে এখানে গরুর ফার্ম করেছে। তার ফার্মে অনেক বড় বড় গরু রয়েছে। অনেক কষ্ট করে তিনি গরুগুলো বড় করেছেন। এদিকে স্থানীয়দের কাছেও খামারটি এখন বেশ পরিচিত। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসছেন বড় আকৃতির গরুগুলো দেখতে। পটুয়াখালী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, বিদেশ ফেরত উদ্যোক্তারা প্রাণিসম্পদ খাতে এগিয়ে এলে স্থানীয় অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। মাহমুদ হাসান রায়হান/এনএইচআর/জেআইএম
Go to News Site