Collector
ঈদুল আজহায় ঢাকামুখী ও ঘরমুখো যাত্রায় তৈরি হচ্ছে দ্বিমুখী চাপ | Collector
ঈদুল আজহায় ঢাকামুখী ও ঘরমুখো যাত্রায় তৈরি হচ্ছে দ্বিমুখী চাপ
Somoy TV

ঈদুল আজহায় ঢাকামুখী ও ঘরমুখো যাত্রায় তৈরি হচ্ছে দ্বিমুখী চাপ

কোরবানির পশুবাহী যানবাহনের রাজধানীমুখী যাত্রা এবং একই সঙ্গে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরা; দুই দিক মিলিয়ে এবার ঈদুল আজহায় তৈরি হতে যাচ্ছে বাড়তি চাপ। সড়ক ও রেলপথে এই চাপ সামাল দেয়া চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। নাড়ির টানে এরমধ্যেই শুরু হয়েছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। একদিকে রাজধানী ঢাকা ছাড়ছে বিপুল মানুষ, অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকায় প্রবেশ করছে কোরবানির পশুবাহী গাড়ি। সব মিলিয়ে এবারের ঈদযাত্রায় বাড়তি চাপের স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে। সায়েদাবাদ, পোস্তগোলা ও গাবতলী বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্থানে এখন উপচে পড়া ভিড়। ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই বাড়ি ফিরছেন। তবে বরাবরের মতোই সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। মহাসড়কের কিছু অংশে ধীরগতির সংস্কার কাজ এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কারণে ঈদযাত্রা যেন ভোগান্তিতে পরিণত না হয়, সেই দাবি জানিয়েছেন তারা। যাত্রীদের অভিযোগ, সড়কে শৃঙ্খলার ঘাটতি রয়েছে। অনেক সময় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয় এবং ঈদের সময় যাত্রী চাপকে কেন্দ্র করে অনিয়ম বাড়ে। আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় সদরঘাটে বাড়তি প্রস্তুতি, প্রস্তুত ১৭২ লঞ্চ সড়কপথের এই বাড়তি চাপের পাশাপাশি প্রস্তুতি নিচ্ছে রেলপথও। তবে টিকিটধারী যাত্রীদের পাশাপাশি টিকিটবিহীন মৌসুমি যাত্রীদের চাপেও ট্রেনের ভেতরের শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ঈদের ছুটি কম থাকায় অল্প সময়ে বিপুল মানুষের এই যাত্রাপ্রবাহ সামাল দেয়া কঠিন হবে। তাই গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় আরও সমন্বিত উদ্যোগের পরামর্শ দিয়েছেন তারা। পরিবহন ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান বলেন, ঢাকা থেকে বের হওয়ার পাশাপাশি ঢাকামুখী চাপও তৈরি হয়। গণপরিবহন সংকট এখনো রয়ে গেছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার পরিবহন পুল কীভাবে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়, সেটি পরিকল্পনায় আনা দরকার। উৎসবের সময় অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে আশপাশের দেশের কোচ ও ইঞ্জিন সাময়িকভাবে ভাড়া নেয়ার বিষয়েও চিন্তা করা যেতে পারে। এদিকে শুধু যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখা নয়, নগরবাসী তাদের ফেলে যাওয়া বাসা ও ফ্ল্যাটের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বিগ্ন। তাই নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, অধিকাংশ এলাকায় এখন সিসি ক্যামেরা রয়েছে। এগুলো ঠিকমতো কাজ করছে কিনা তা যাচাই করে রেখে যেতে হবে। সব প্রস্তুতি আর আসল পরীক্ষা শুরু হবে ঈদ যাত্রা পুরোদমে জমে ওঠার পর। ঘরমুখো মানুষের এই উৎসবের যাত্রা যেন ভোগান্তির না হয়ে পরম আনন্দের হয় এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

Go to News Site