Jagonews24
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। গ্রামে যেতে বাস টার্মিনালগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন যাত্রীরা। অফিস শেষ হতেই ঢাকার বিভিন্ন বাস টার্মিনালে যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়। রোববার (২৪ মে) বিকেলে রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, যাত্রীর চাপ বেড়েছে বাস কাউন্টারগুলোতে। দেশের প্রায় প্রতিটি জেলার বাসের কাউন্টার রয়েছে এই টার্মিনালে। নির্বিঘ্নে বাস ছাড়ছে কাউন্টার থেকে। তবে যাত্রীর চাপ থাকায় টিকিট পেতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে অপেক্ষা করছেন বাসের জন্য। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস হওয়ায় একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছাড়ছেন। এতে টার্মিনাল এলাকায় ভিড় বেড়েছে। আগামীকাল সকাল থেকে ভিড় আরও বাড়বে। লক্ষ্মীপুরগামী যাত্রী শোয়াইব হাসান জাগো নিউজকে বলেন, রমজানের ঈদে যেতে পারিনি। কোরবানির ঈদ গ্রামেই করবো। বাচ্চারাও সঙ্গে যাচ্ছে। ঈদের ৩ দিন আগেই যেতে পারছি, এটা ভালো লাগছে। আরেক যাত্রী বলেন, সায়েদাবাদের এই রাস্তায় অনেক যানজট। এখন সামনে যানজট না পেলেই ভালো ভাবে যেতে পারবো। আরও পড়ুনসদরঘাটে বাড়ছে যাত্রীর চাপ, কেবিন বুকিং-টিকিট কাটতে ভিড় মেট্রোরেল ভ্রমণে ২৫% ছাড় পাবেন বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নরা সিলেটগামী যাত্রী কাজী ওয়াদুদ জানান, ভৈরব ব্রিজের পর থেকে আমাদের যানজট শুরু হয়, নরসিংদী শহরেও যানজট। এই ভোগান্তি শেষ হয় না আমাদের। বাকি সব কিছু ভালো। কিছু পরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। ঝিনাইদহ, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গাগামী রুটে পূর্বাশা পরিবহন, গোল্ডেন লাইন, চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্সে বাড়তি ভাড়া আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। মেহেরপুরগামী যাত্রী শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, নিয়মিত পূর্বাশা পরিবহনে করে যাই। সাধারণত ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়া নেয়। কিন্ত ঈদ আসায় আজ ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা করে নিচ্ছে। চুয়াডাঙ্গাগামী আলতাফ হোসেন বলেন, একই পরিবহনের কয়েক রকম কাউন্টার আছে। ছোট কাউন্টার ৮৫০ টাকা চায়, বড় কাউন্টারে ৮০০ টাকা করে নেয়। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে গোল্ডেন লাইন পরিবহনের কাউন্টারের কর্মী সাইদুল হক জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের সময় আমাদের সব গাড়ি ফেরার সময় খালি আসে। অথচ যাওয়া-আসায় অনেক তেল খরচ হয়। তাই কিছু বাড়তি টাকা নিতে হয়। আরএএস/কেএসআর
Go to News Site