Collector
কত শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও বাতিল? | Collector
কত শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও বাতিল?
Somoy TV

কত শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও বাতিল?

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট ২০২ জন শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও বাতিলসহ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।একইসঙ্গে তাদের নেয়া সমস্ত সরকারি অনুদান ও বেতন-ভাতা বাবদ সহায়তার অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত আদায়ের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। রোববার (২৪ মে) পৃথক পৃথক চিঠিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) বেসরকারি কলেজ শাখা-৩ থেকে প্রকাশিত কয়েকটি দাফতরিক চিঠিতে জানানো হয়, অভিযুক্ত ৮৫ জনের মধ্যে কলেজ পর্যায়ের ২৪ জন এবং স্কুল পর্যায়ের ৬১ জন শিক্ষক রয়েছেন। মাউশির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর ১৮.১(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অভিযুক্ত শিক্ষকদের এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, তাদের নিয়োগ প্রদানকারী গভর্নিংবডি বা ম্যানেজিং কমিটিকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নিয়োগ বাতিল করতে বলা হয়েছে। আরও পড়ুন: নতুন পে-স্কেলে কার কী সুবিধা, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কী পাবেন? একই সঙ্গে নীতিমালার নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষক হিসেবে বহাল থাকাকালে তারা সরকার থেকে যে পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেছেন, তা দ্রুত সরকারি কোষাগারে ফেরত আনা এবং তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দ্রুত ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এছাড়া, জাতীয়করণ হওয়া প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও বিধি মোতাবেক একইরকম আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়। অন্যদিকে এনটিআরসিএ’র তদন্তে সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় দেশের এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১১৭ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পে-অর্ডার) চূড়ান্তভাবে বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের এবং এখন পর্যন্ত তাদের নেয়া সরকারি বেতনের অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত আদায়ের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আরও পড়ুন: এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষকদের বদলির আবেদন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এমপিও শাখা থেকে প্রকাশিত দুটি প্রজ্ঞাপনে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়। এর মধ্যে ১১২৪০০২০ রোল নম্বরধারী কামাল হোসেন ও ৩১৪০০১৭৪ রোল নম্বরধারী আনোয়ার উল্লাহসহ বিভিন্ন মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১১৪ জন শিক্ষক এবং মাহমুদা বেগমসহ কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৩ জন শিক্ষক রয়েছেন। এনটিআরসিএর গত ৩০ মার্চ পাঠানো এক তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

Go to News Site