Somoy TV
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় সোমবার (২৫ মে) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। ঈদে সক্রিয় ৬ ধরনের অপরাধী - দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত খবর এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে সারা দেশে ছিনতাই, ডাকাতি, চুরি, অজ্ঞান ও মলম পার্টির তৎপরতা বেড়েছে বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এ ছাড়া জাল টাকার বিস্তার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদর দফতর বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে ওঠা ছয় ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ সুপারদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে ডাকাতি, পশুবাহী গাড়ি ছিনতাই, বাসাবাড়িতে চুরি ও গণপরিবহনে অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা। ঈদে জমজমাট চাঁদাবাজি - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান খবর এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোরবানির ঈদ ঘিরে উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় পশুর মোকাম রাজশাহী সিটি হাট থেকে প্রতিরাতে দেশজুড়ে ছুটছে প্রায় ৫শ পশুবাহী ট্রাক। কিন্তু এই যাত্রাপথে মহাসড়কগুলো চাঁদাবাজির অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রায় পাঁচশ কিলোমিটার মহাসড়কের অন্তত ২০টি পয়েন্টে তোলা হয় চাঁদা। হাইওয়ে ও থানা পুলিশের কতিপয় সদস্য এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন চালকরা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চলছে শারীরিক লাঞ্ছনা এবং কাগজপত্র পরীক্ষার নামে পুলিশি হয়রানি। এছাড়া গভীর রাতে ধারালো অস্ত্রের মুখে সর্বস্ব ছিনতাইয়ের মতো লোমহর্ষক ঘটনাও ঘটছে। ঘাটে ঘাটে চাঁদা দিতে গিয়ে প্রতিটি ট্রাকে গুনতে হচ্ছে ৭ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। ঈদে যত দুর্ভোগ সড়কেই - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ সোমবার টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। গতকাল রবিবার অফিস শেষ হওয়ার পর থেকেই জনবহুল রাজধানী ঢাকার চিত্র অনেকটাই পাল্টে গেছে। বিকেল থেকেই গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এবং কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। তবে ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই সড়ক ও রেলপথে নানা ভোগান্তির মুখে পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা। একদিকে রাজধানী ছাড়ছে লাখো মানুষ, অন্যদিকে কোরবানির পশুবাহী শত শত ট্রাক ঢাকায় প্রবেশ করছে। দ্বিমুখী এই চাপের কারণে পরিবহন ব্যবস্থাপনায় এক ধরনের বেসামাল দশা তৈরি হয়েছে। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগের বছরগুলোর মতো এবারও মাত্র তিন-চার দিনের ব্যবধানে প্রায় দেড় কোটিরও বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়বে। সীমিত গণপরিবহন ও বর্তমান অবকাঠামো দিয়ে এই বিশাল চাপ সামলানো বড় চ্যালেঞ্জ। হাম পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে - দৈনিক সমকালের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসের তিন সপ্তাহ থেকে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। প্রথম সপ্তাহের তুলনায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৭ শতাংশ এবং মৃত্যু বেড়েছে ১৫ শতাংশ। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত পরিস্থিতি বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ শুরুর পর দ্রুত ও সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে দেরি হওয়ায় পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে (১-৭ মে) হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছিল আট হাজার ৩৬৭ জন রোগী। ওই সময়ে মৃত্যু হয় ৬০ শিশুর। পরে তৃতীয়-চতুর্থ সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে (১৮ থেকে ২৪ মে) আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় আট হাজার ৯০১-এ। এ সময়ে মৃত্যু হয় ৬৯ শিশুর।ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক / বৈরী থেকে শীতল স্বাভাবিকের অপেক্ষা - দৈনিক মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক-এগারো পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পুরো সময় জুড়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ ও উষ্ণ। তবে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের নানা জটিলতায় অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে সেই সম্পর্কে তৈরি হয় টানাপড়েন, অবিশ্বাস ও দূরত্ব। রাজনৈতিক সরকার আসার পর ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা, অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং আঞ্চলিক সমীকরণের কারণে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে নতুন করে উদ্যোগী হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। বিএনপি সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’- নীতিকে সামনে রেখে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে গুরুত্ব দিচ্ছে ঢাকা। অন্যদিকে বাংলাদেশকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও পাকিস্তানের বাড়তি কূটনৈতিক তৎপরতা ও নিজেদের নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে সতর্ক কৌশলে এগোচ্ছে দিল্লি। অন্তর্বর্তী আমলে নানা টানাপড়েনের সময় বারবার নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ভারত। যদিও বাস্তবতা হলো সম্পর্ক এক পা এগোলে দুই পা পিছিয়ে যাওয়ার মতো।
Go to News Site