Collector
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য চুক্তিতে ‘বাধা’ হয়ে দাঁড়াতে পারে ইসরাইল? | Collector
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য চুক্তিতে ‘বাধা’ হয়ে দাঁড়াতে পারে ইসরাইল?
Somoy TV

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য চুক্তিতে ‘বাধা’ হয়ে দাঁড়াতে পারে ইসরাইল?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা যখন জোরদার হচ্ছে, ঠিক তখনই এই প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টিকারী হিসেবে ইসরাইলের ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আশ্বস্ত করেছেন, তেহরানের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত চুক্তির আগে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ এবং দেশটির মাটিতে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেয়ার দাবিতে তিনি অনড় থাকবেন। বার্তা সংস্থা এএফপিকে একজন জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তা জানান, গত শনিবার (২৩ মে) রাতে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, এসব শর্ত পূরণ ছাড়া তিনি ইরানের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি করবেন না। তবে ইরানের ফার্স ও তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তেহরান এখন পর্যন্ত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, পারমাণবিক ইস্যু প্রাথমিক আলোচনার অংশ নয়; এটি পরে আলোচনা হবে। আরও পড়ুন: উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ হস্তান্তর করতে রাজি হয়নি ইরান ট্রাম্প শনিবার দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তির ‘বেশিরভাগই চূড়ান্ত’ এবং এখন শুধু আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির অপেক্ষায়। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সাম্প্রতিক তেহরান সফরের মধ্যে ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ইসরাইল শুরু থেকেই ইরানবিরোধী কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা নস্যাৎ করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে। ইসরাইল এমন আলোচনার পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইতে পারে। লেবানন ইসরাইলি গণমাধ্যম কান জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে নেতানিয়াহু লেবাননে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ঘোষণা করা হতে পারে, যেখানে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধের বিষয়টি উল্লেখ থাকবে। চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে ইসরাইলকেও লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে। আরও পড়ুন: ইরান চুক্তির জন্য কোনো তাড়াহুড়ো নেই, সময় নিয়ে সঠিকভাবে করতে হবে: ট্রাম্প ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তেহরান প্রথমে একটি কাঠামোগত সমঝোতা করতে চায়, এরপর ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নেতানিয়াহু ও ইসরাইলি নিরাপত্তা সংস্থার আশঙ্কা, ইরান সময়ক্ষেপণ করছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, নেতানিয়াহু ও ইসরাইলের নিরাপত্তা সংস্থা মনে করছে—৬০ দিন পর তেহরান ছাড় দিতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে। তথ্যসূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

Go to News Site