Collector
১৩০০ টাকা বাঁচাতে গিয়ে ট্রাকে ঈদযাত্রাই শেষযাত্রা হলো ১৫ জনের | Collector
১৩০০ টাকা বাঁচাতে গিয়ে ট্রাকে ঈদযাত্রাই শেষযাত্রা হলো ১৫ জনের
Jagonews24

১৩০০ টাকা বাঁচাতে গিয়ে ট্রাকে ঈদযাত্রাই শেষযাত্রা হলো ১৫ জনের

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ১৩০০ টাকা কমে ট্রাকে করে রওনা হন ২২ জন যাত্রী৷ কিন্তু সেই যাত্রাই হলো তাদের শেষযাত্রা! একে একে জীবন গেলো ১৫ জনের৷ সোমবার (২৫ মে) ভোরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রাক উল্টে ১৫ জনের মৃত্যু হয়। আর এ ঘটনায় আহত হন আরও বেশ কয়েকজন৷ এতে ঈদ আনন্দ রূপ নেয় বিষাদে। সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশেই ট্রাকটি উল্টে রয়েছে৷ এর মধ্যে রডগুলো মাটিতে পড়ে আছে৷ স্থানীয় লোকজন ভিড় করছেন। ট্রাকের যাত্রী রব্বানী জাগো নিউজকে বলেন, আমার ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম। হঠাৎ করেই দেখি ট্রাকটি উল্টে গেছে৷ এরপর আর কিছুই বলতে পারবো না৷ আমরা ট্রাকে ২২ জন যাত্রী ছিলাম। ট্রাকের আরেক যাত্রী তরিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ট্রাকটি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় যাওয়ার কথা ছিল৷ আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রামের অলংকার থেকে উঠেছিলাম। মূলত বাসের ভাড়া জনপ্রতি ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা চাওয়া হয়৷ কম টাকার জন্য আমরা ট্রাকে উঠি। আমরা ৪ জনে ২৩০০ টাকা দিই। এর মধ্যে আমার দুইজন মারা গেছে৷ নিহতের এক আত্মীয় জাগো নিউজকে বলেন, আমার তিন জন আত্মীয় মারা গেছে৷ রাত ১০টায় তারা নওগাঁ যাওয়ার জন্য কম টাকায় ফেনী থেকে ট্রাকে ওঠে৷ ফেনী থেকে বাস ভাড়া ১৭০০-১৮০০ টাকা চাওয়া হয়৷ ট্রাকে জনপ্রতি ভাড়া ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হয়৷ কিন্তু কম টাকায় ট্রাকে ওঠায় তাদের এমন মৃত্যু হলো৷ স্থানীয়রা বলেন, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে৷ দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে আসি৷ রড কেটে যাত্রীদের আমরা উদ্ধার করি। পাল্লাপাল্লি করে ওভারটেকের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে৷ তাছাড়া এতো বড় দুর্ঘটনা হওয়ার কথা নয়৷ স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আজিজ বলেন, সকালে এসে দেখি ১৫ জনের মরদেহ পড়ে রয়েছে। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন৷ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানার নিয়ে আসা হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়৷ আব্দুল্লাহ আল নোমান/এফএ/এএসএম

Go to News Site