Collector
ঈদের রান্না সহজ করতে ঘরেই তৈরি করুন মাংসের মসলা | Collector
ঈদের রান্না সহজ করতে ঘরেই তৈরি করুন মাংসের মসলা
Jagonews24

ঈদের রান্না সহজ করতে ঘরেই তৈরি করুন মাংসের মসলা

ঈদে মাংসের নানা পদ তৈরি করা হয়। কোরবানির মাংস ঘরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই গৃহিণীরা রান্না শুরু করেন। অনেক সময় দেখা যায় মাংস রান্না বেশ সময়ে লেগে যায়। তাই রান্নার আগে সব মসলাও প্রস্তুত রাখা জরুরি। তাহলে খুব দ্রুতই রান্না সম্পন্ন করা যায়। অনেকেই বাজার থেকে রেডি মসলা কিনে ব্যবহার করেন, তবে চাইলে খুব সহজেই ঘরেই তৈরি করতে পারফেক্ট মাংসের মসলা। এই মসলা শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, বরং ২ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত সহজেই সংরক্ষণও করা যায়। জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন মাংসের মসলা- প্রয়োজনীয় উপকরণ এই রেডি মসলা তৈরি করতে খুব বেশি জিনিসের প্রয়োজন হয় না, তবে প্রতিটি উপকরণই স্বাদের ভারসাম্য তৈরি করে। শুকনো মরিচ ২২টি, আস্ত জিরা দেড় টেবিল চামচ, আস্ত ধনিয়া ২ টেবিল চামচ, ১ চা চামচ মৌরি, মাঝারি তেজপাতা ৪টি, দারুচিনির ছোট টুকরো ১ টেবিল চামচ ,এলাচ ১ চা চামচ, আধা চা চামচ লবঙ্গ, কালো গোলমরিচ ১ চা চামচ, জয়ত্রী ছোট্ট ১টি, জায়ফল অর্ধেক, হলুদ গুঁড়া দেড় টেবিল চামচ ও লবণ দেড় টেবিল চামচ।   মসলা তৈরির পদ্ধতি প্রথমে একটি প্যান গরম করে মাঝারি আঁচে শুকনো মরিচ হালকা টেলে নিন। এরপর সেটি তুলে রেখে একই প্যানে ধনিয়া ভাজতে হবে। ধনিয়া হালকা ভাজা হয়ে গেলে আলাদা করে তুলে জিরা ও মৌরি একস ভেজে নিন। এরপর ধীরে ধীরে বাকি সব মসলা একসাথে প্যানে দিয়ে এক থেকে দেড় মিনিট হালকা ভেজে নিন। লবণ আলাদা করে সামান্য টেলে নিন। সব ভাজা মসলা ঠান্ডা হলে লবণ ও হলুদ বাদে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে মিহি পাউডার তৈরি করে নিন। এরপর আলাদাভাবে লবণ ও হলুদ মিশিয়ে আবার একবার ব্লেন্ড করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে পারফেক্ট রেডি মাংসের মসলা। সংরক্ষণ ও ব্যবহার এই মসলা একটি এয়ারটাইট কাচের পাত্রে রেখে দিলে সহজেই ২ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। চাইলে রোদে শুকিয়ে নিয়ে সংরক্ষণ করলে এর স্থায়িত্ব আরও বাড়ে। প্রতিবার রান্নার সময় ২ থেকে ৩ কেজি মাংসের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ এই মসলা ব্যবহার করা যায়। বেশি পরিমাণে মাংস রান্না করতে চাইলে অনুপাত বাড়িয়ে নেওয়া যায়। সময় ও পরিশ্রম দুটোই বাঁচায় কোরবানির ঈদে যদি আগে থেকেই রেডি মসলা তৈরি করে রাখা যায়, তাহলে রান্না অনেক দ্রুত ও সহজ হয়ে যায়। প্রতিবার আলাদা করে মসলা মাপার ঝামেলা থাকে না, ফলে সময়ও বাঁচে এবং রান্নার স্বাদও একই রকম থাকে। এছাড়া এটি মানসিক চাপও কমায়। কারণ আপনি আগে থেকেই জানেন প্রতিটি রান্নায় কীভাবে স্বাদ আসবে। ফলে রান্না আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করা যায়। সূত্র:ফাস কিচেন, রেসিপিস আর সিম্পল আরও পড়ুন: ঈদের আগে ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে গরমে দ্রুত তরকারি নষ্ট হয়, ভালো রাখবেন যেভাবে এসএকেওয়াই

Go to News Site