Collector
কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য, মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি বাতিল | Collector
কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য, মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি বাতিল
Somoy TV

কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য, মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি বাতিল

কর্মচারী নিয়োগে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গুমড়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি বাতিল করা হয়েছে।সোমবার (২৫ মমে) মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের রেজিস্ট্রার প্রফেসর এস এম তৌহিদুজ্জামানের সই করা এক পত্রের মাধ্যমে কমিটি বাতিল করা হয়। এতে বলা হয়েছে, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির অবৈধ হস্তক্ষেপ, আইন ও বিধি বিধান লঙ্ঘন করে বেআইনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অপতৎপরতা এবং নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে মাদ্রাসার সুপার মোজাহার আলী মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বোর্ড হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমাকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তদন্তে ৪ কর্মচারী নিয়োগে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এছাড়া মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সুপারিন্টেন্ডসহ নিয়োগ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিবাদী নিয়োগ প্রত্যাশীরা দিনাজপুর আদালতে মামলা করেন। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালে ২০ ডিসেম্বর আয়া, নৈশ প্রহরী, নিরাপত্ত কর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে একজন করে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি গোপনে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ওই চার পদে নিয়োগ দেন। এতে নিয়োগ বঞ্চিতরা বাদী হয়ে ওই মাদ্রাসার সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সুপারেন্টেন্ডে, উপজেলা মাধ্যমিক ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ নিয়োগ সংশ্লিষ্ট ১২ জনকে আসামি করে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দিনাজপুর আদালতে মামলা করেন। সেই মামলা এখনো আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপারিডেন্ট মোজাহার আলী সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে বোর্ড হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তদন্তের ভার দেয়া হয়। আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষায় কওমি তরুণদের সুযোগ হবে? গোাবিন্দপুর গুমড়া দাখিল মাদ্রাসা সুপার মোজাহার আলী বলেন, ‘সভাপতি আব্দুর রজ্জাক প্রতি পদে ১৫ লাখ টাকা করে ৪ পদে মোট ৬০ লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্য করেছেন। এতে প্রতিবাদ করলে অবৈধভাবে আমাকে একমাস বাহিষ্কার করা হয়।’ নৈশপ্রহরী পদে চাকরি প্রত্যাশী আসাদুজ্জামান জানান, ‘আবেদনের পর সভাপতি লোক মারফত আমাকে দেখা করতে বলেন। পরবর্তীতে দেখা করলে তিনি ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। স্বচ্ছভাবে নিয়োগ দেয়ার অনুরোধ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে দূর্ব্যবহার করেন এবং বলেন টাকা দাও, চাকরি নাও।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক জানান, কর্তৃপক্ষ তার কাছে নোটিশের জবাব দিতে বলেন। কিন্তু তিনি জেল হাজতে থাকার কারণে নোটিশের জবাব দিতে পারেননি।

Go to News Site