Somoy TV
পাকিস্তান সফরে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দলে নেই পেস আক্রমণভাগের মূল ভরসা প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক এবং জশ হ্যাজেলউড। এই সিরিজে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন অলরাউন্ডার মিচেল মার্শ। অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড জানিয়েছেন, ২০২৭ এর ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দলের অভিজ্ঞ পেসারদের খুব সতর্কভাবে পরিচালনা করাই এখন তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।আগামী ৩০ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ২০২৩ বিশ্বকাপজয়ী অভিযানে এই পেসার ত্রয়ী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। আরেকটি বিশ্বকাপের বছরখানেক আগে ওয়ানডে দলে তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে নানান জল্পনা চললেও তা উড়িয়ে দিয়েছেন কোচ ম্যাকডোনাল্ড।তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘অনেকে শুধু সামনের ম্যাচগুলো দেখেই প্রশ্ন তোলে, “ওরা খেলছে না কেন?” কিন্তু যদি ২০২৭ বিশ্বকাপের পরিকল্পনা মাথায় রেখে পুরো সূচিটা দেখা হয়, তাহলে বোঝা যাবে এটাই শেষ বড় বিরতি, যেখানে আমরা তাদের শরীরকে ঠিকভাবে প্রস্তুত করার সুযোগ পাচ্ছি। আমাদের পরিকল্পনা হলো, ২০২৭ বিশ্বকাপে ওরা যেন থাকে।’২০২৩ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার ষষ্ঠ শিরোপা অভিযানে কামিন্স, স্টার্ক ও হ্যাজলউড মিলে নিয়েছিলেন ৪৭ উইকেট। তবে ২০২৪ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজের পর এই তিনজন আর একসঙ্গে কোনো ওয়ানডে খেলেননি। আরও পড়ুন: দুই ফরম্যাটে নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কাবিশেষ করে কামিন্স অস্ট্রেলিয়ার শেষ ২২টি ওয়ানডের মধ্যে মাত্র দুটিতে খেলেছেন।ম্যাকডোনাল্ড মনে করেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেসারদের কাজের চাপ সামলানোই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।তিনি বলেন, ‘২০২৩ সালেও আমরা এমন পরিকল্পনা করেছি। তবে এবার পার্থক্য হলো, আমরা চার বছর বেশি বয়সী। যদি সবাই ফিট ও সুস্থ থাকে, তাহলে আমরা ভালো অবস্থানে আছি। কিন্তু সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে কীভাবে খেলোয়াড়দের এই চাপের মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া যায়, বিশেষ করে ফাস্ট বোলারদের।’‘আমাদের বোলাররা বয়সে বড় হচ্ছে, তাই ব্যবস্থাপনাতেও ভিন্ন চ্যালেঞ্জ আসবে। তারা বরাবরই দারুণভাবে নিজেদের ধরে রেখেছে, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন ইনজুরিতেও পড়েছে। তাই এ বিষয়ে আমাদের অনেক সময় ও মনোযোগ দিতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
Go to News Site