Collector
কোরবানির হাটে চোরাইপথে আসছে মিয়ানমারের গরু! | Collector
কোরবানির হাটে চোরাইপথে আসছে মিয়ানমারের গরু!
Somoy TV

কোরবানির হাটে চোরাইপথে আসছে মিয়ানমারের গরু!

আসন্ন ঈদুল আজহাকে ঘিরে সীমান্ত পথে চোরাই গরু-মহিষের প্রবেশ বেড়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় খামারিদের শঙ্কা বাড়লেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, মিয়ানমার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা হচ্ছে এসব পশু। এতে একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে বিপুল রাজস্ব, অন্যদিকে ঝুঁকিতে পড়ছে দেশীয় খামারিরা।এরই মধ্যে মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁও এলাকায় মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে আনা ১০টি গরু জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় গরু পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাকসহ আটক করা হয় চালককে।আটক চালক সিরাজুল ইসলাম (২৫), রামু উপজেলার কাউয়ার খোপ ইউনিয়নের উখিয়ার ঘোনার আব্দুর রহমানের ছেলে।পুলিশ জানান, ঈদুল আজহা, তাই মিয়ানমার সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকছে গরুর চালান। পরে ট্রাক কিংবা ছোট ছোট পরিবহনে করে সেগুলো পৌঁছে দেয়া হচ্ছে পশুর হাটে।মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে আসা গরু পাচার হচ্ছে খবর পায় পুলিশ। তাই কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঈদগাঁও ইউনিয়নের মেহেরঘোনা এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। তল্লাশিকালে রামুর দিক থেকে আসা একটি সন্দেহভাজন ট্রাককে থামানোর সংকেত দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গাড়িটি থামার সঙ্গে সঙ্গেই পেছনে থাকা দুই ব্যক্তি ধানক্ষেতের মধ্য দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে চালককে আটক করা হয়।আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পশুর হাট, দুর্ভোগে চালক-যাত্রীরাপিকআপভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ১০টি গরু। এর মধ্যে রয়েছে ৭টি লাল ও তিনটি সাদা রঙের গরু। জব্দ করা হয় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকটিও।পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা।পুলিশের ভাষ্য, কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে গরুগুলো আনা হয়েছিল। এগুলো ঈদগাঁও বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন আটক চালক।আরও পড়ুন: হাঁটু পানি হাটে, ভোগান্তিতে ক্রেতা-বিক্রেতারাঈদগাঁও থানার পরিদর্শক এটিএম সিফাতুল মাজদার বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা হচ্ছে এসব পশু। এতে সরকার হারাচ্ছে বিপুল রাজস্ব। তবে চোরাচালান রোধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। সীমান্ত ও মহাসড়কে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।এটিএম সিফাতুল মাজদার আরও বলেন, এ ঘটনায় ঈদগাঁও থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতকদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত নজরদারি আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও কঠোর মনিটরিং বাড়ানো না গেলে কোরবানির মৌসুমে মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে আসা গরুর প্রবেশ ঠেকানো কঠিন হবে।

Go to News Site